শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us
কলংকজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি

বাংলাদেশ সোসাইটির সভায় ঘুষাঘুষি, চেয়ার ও পানির বোতল নিক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   মঙ্গলবার, ০৪ জুলাই ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ৮৩৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

বাংলাদেশ সোসাইটির সভায় ঘুষাঘুষি, চেয়ার ও পানির বোতল নিক্ষেপ

বাংলাদেশ সোসাইটির ইতিহাসে কলংকজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি হলো। কার্যকরি কমিটির সভায় ঘুষাঘুষি, চেয়ার ও পানির বোতল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সভাপতি আব্দুর রব মিয়া ও সাধারন সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী প্রানপন চেষ্টা করেও সংঘর্ষে লিপ্ত কর্মকর্তাদের নিবৃত্ত করতে পারেন নি। প্রথমে ঘুষাঘুষি শুরু হয় সোসাইটির সিনিয়র সহসভাপতি মহিউদ্দীন দেওয়ান ও কোষাধ্যক্ষ নওশেদ হোসেনের মধ্যে। এক পর্যায়ে মহিউদ্দীন দেওয়ান চিয়ার নিক্ষেপ করেন । এতে আহত হন নওশেদ হোসেন। তার সর্মথকরা চড়াও হন মহিউদ্দীনের ওপর। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে চিয়ার এসে সহসভাপতি ফারুক চৌধুরীর গায়েও লাগে। ক্রিড়া সম্পাদক মইনুল উদ্দীন মাহবুব ক্ষুব্ধ মহিউদ্দীনকে জড়িয়ে ধরেও থামাতে পারছিলেন না। নিক্ষেপে আহত হন সহ সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম। ভয়ে ফারহানা চৌধুরী অন্য রুমে গিয়ে আশ্রয় নেন। কর্মকর্তারা একে অপরের বিরুদ্ধে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একজন অপরজনকে বলেন, কু—সোসাইটির অফিসে বাইরে আয়। খেলা হবে। গত রোববার ২ জুলাই সোসাইটির কার্য নির্বাহী কমিটির সভায় এ ঘটনা ঘটে। মারামারি শেষে সভাপতি উভয় পক্ষকে মিলিয়ে দেন। এক পর্যায়ে মহিউদ্দীন দেওয়ান সভা ত্যাগ করে চলে যান। কার্যকরি কমিটির সভা শেষে নবগঠিত ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্যদের পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
এরমধ্যে আঘাতপ্রাপ্ত নওশেদের আঙ্গুল ফুলে কালো হয়ে যায়। তিনি ৯১১ কল করেন। ঘটনাটি পুলিশকে অবহিত করেছেন। এম্বুলেন্সের ভেতরে তার আঙ্গুলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
সোসাইটিতে সংঘাতের ব্যাপারে সভাপতি আব্দুর রব মিয়ার দৃষ্টি আর্কষন করলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, অপ্রীতিকর একটি ঘটনা ঘটেছে। নিন্দা জানানোর ভাষা আমার নেই। তবে আমি ও সাধারন সম্পাদক আপ্রান চেষ্টা করেছি পরিবেশ শান্ত রাখতে। শেষে মহিউদ্দীন দেওয়ান ও নওশেদকে মিলিয়ে দিয়েছি। বৈঠক শেষ হবার পর আমি , রুহুল আমিন সিদ্দিকী ও ফারুক চৌধুরী চলে আসি। পরে জানতে পেরেছি নওশেদ তার আহত হবার বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেছে।
এদিকে একটি দায়িত্বশীল সুত্র জানায়, ট্রাষ্টি বোর্ডের ১২ জনের মধ্যে ১১ জন ইতোমধ্যেই নির্বাচিত হয়েছেন। একটি পোষ্টের নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই এই সংঘাতের সুত্রপাত। কমিউিনিটির এক বড় ভাইকে ট্রাস্টিবোর্ডে রাখা ও ভোট নিয়েই নাকি এই সংঘাতের সুত্রপাত হয়েছিল।

 

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম