শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

এক হাজার ২০০ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধে বেসামাল হাসিনার সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ১০ আগস্ট ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ২২৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

এক হাজার ২০০ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধে বেসামাল হাসিনার সরকার

 সরকারি ও বেসরকারি খাতে নেওয়া বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে এবং আগামী ডিসেম্বর নাগাদ পরিশোধ করতে হবে প্রায় ১২ বিলিয়ন বা এক হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সরকার ও সরকারি গ্যারান্টিতে নেওয়া ঋণের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে ৩১৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার। বাকিটা পরিশোধ করবে বেসরকারি খাত।

ঋণ পরিশোধের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিদেশি মুদ্রার সংকট কাটাতে আরো বেশি ঋণের জন্য দৌঁড়ঝাপ করতে হচ্ছে সরকারকে। আর এর কারণ হচ্ছে পুরনো ঋণ পরিশোধের চাপ।

 ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতির ভিন্ন পরিস্থিতির মধ্যে একদিকে বাড়ছে বৈদেশিক ঋণের সুদ, অন্যদিকে কমছে ঋণ পরিশোধের সময়। সুদহার বাড়ার কারণে ঋণগ্রহীতা দেশগুলোর ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে। বাংলাদেশ তুলনামূলক সহজ শর্তে ঋণ নিলেও গত অর্থবছরের তুলনায় বেড়েছে ঋণ পরিশোধের চাপ।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য মতে, করোনা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও দেশের সুদহার এক থেকে পাঁচ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে বৈশ্বিক সুদহার নির্ধারণের অন্যতম মাপকাঠি লন্ডন ইন্টার ব্যাংক অফারড রেটের (লাইবর) পরিবর্তে সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট (সোফর) নামে নতুন ব্যবস্থা চালুর ফলেও সুদহারে পরিবর্তন এসেছে।

ইআরডির কর্মকর্তারা জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে সোফর রেট বেড়ে ৫ শতাংশের বেশি হয়েছে। এ কারণে বাজারভিত্তিক ঋণের জন্য বাংলাদেশকে এখন ৫ শতাংশের বেশি সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে।

এদিকে বিশ্বজুড়ে দুর্নীতি দমনে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি পাচারকৃত সম্পদ জব্দ করার কৌশল নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।একইসাথে যেসব দেশে সম্পদ পাচার হয়েছে, সেই সব দেশকে যাবতীয় তথ্য সরবরাহ করা হবে, যাতে তারা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মামলাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে। দুর্নীতিবাজ এবং তাদের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের নিরপেক্ষভাবে নির্মূল করতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারকে উৎসাহ দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থ পাচার, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী এবং নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রসঙ্গটি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে উঠে এসেছে। এতে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, দুর্নীতি মোকাবিলায় নিষেধাজ্ঞা হাতিয়ার হিসাবে কাজ করতে পারে।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম