শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

সয়াবিন তেলের আগের বোতল নতুন দরে বিক্রি, দাম বাড়ানোর ঘোষণা

অর্থনীতি ডেস্ক   |   শনিবার, ০৬ মে ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ২৬২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

সয়াবিন তেলের আগের বোতল নতুন দরে বিক্রি, দাম বাড়ানোর ঘোষণা

দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হলেও বাজারে এখন পর্যন্ত নতুন দরের সয়াবিন তেলের বোতল দেখা যায়নি। তবে এরই মধ্যে দাম বেড়ে গেছে। আগের বোতলই কেউ কেউ বিক্রি করছেন বাড়তি দরে।

সরকারের দেওয়া মূল্য সংযোজন কর (মূসক) অব্যাহতির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছে ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নতুন দরের ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা, ৫ লিটার ৯৬০ টাকা এবং খোলা সয়াবিনের লিটারের দাম ১৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া পাম সুপার অয়েলের দর নির্ধারণ করা হয় প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা। এতদিন খোলা সয়াবিনের লিটার ১৬৭, বোতলজাত সয়াবিনের এক লিটার ১৮৭, পাঁচ লিটার ৯০৬ টাকা এবং পাম অয়েলের লিটার ১১৭ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

তবে গতকাল শুক্রবার ঢাকার কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর, মালিবাগসহ কয়েকটি এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন দরের বোতল এখনও বাজারে সরবরাহ করা হয়নি। কিন্তু এরই মধ্যে আগের বোতল কিছু ব্যবসায়ী বিক্রি করছেন নতুন দরে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে সরকারি চাকরিজীবী আব্দুল আলী নামের এক ক্রেতা এক লিটারের বোতল কিনেছেন ১৯০ টাকায়। ক্ষোভ ঝেড়ে তিনি বলেন, কয়েকটি দোকান ঘুরেছি। কেউ ১৯৯, কেউ ১৯৫ টাকা দাম চেয়েছে। দর কষাকষি করে ১৯০ টাকায় কিনেছি। অথচ বোতলে লেখা রয়েছে ১৮৭ টাকা। এতদিন এ তেল কেনা গেছে ১৮৫ টাকায়।

খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, কোম্পানির ডিলাররা আগের দামে কেনা তেলে কমিশন দিচ্ছেন না খুচরা ব্যবসায়ীদের। ডিলাররা বোতলের গায়ের দরে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে তেল বিক্রি করছেন। কিন্তু কোনো ক্রয় রসিদ দিচ্ছেন না। ফলে খুচরা ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে বোতলের গায়ের দরের চেয়ে বেশি দরে বিক্রি করছেন। তবে তাঁরা খোলা সয়াবিন ও পাম ওয়েল বিক্রি করছেন নতুন দরে।

কারওয়ান বাজারের আব্দুর রব স্টোরের বিক্রয়কর্মী নাঈম বলেন, ডিলাররা দু’দিন ধরে পাইকারি পর্যায়ে তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। খোলা সয়াবিন ও পাম অয়েলে প্রতি ড্রামে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বাড়িয়েছেন। গায়ে লেখা দরে তাঁরা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বোতলজাত
তেল বিক্রি করছেন। সে কারণে খুচরা ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ কিছুটা বেশি দরে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

তবে চিনির বাজারে এখনও স্থিতিশীলতা আসেনি। প্যাকেটজাত চিনির দেখা মিলছে না বাজারে। খোলা চিনি পাওয়া গেলেও ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে নির্ধারিত দরের চেয়ে কমবেশি ৩৫ টাকা। সরকার খোলা চিনির দর ১০৪ টাকা বেঁধে দিলেও বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম