শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

হিলসাইডের খলিল বিরিয়ানী হিলের নীচে চাপা পড়ছে!

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ৬৪৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

হিলসাইডের খলিল বিরিয়ানী হিলের নীচে চাপা পড়ছে!

খলিল বিরিয়ানী হাউজ নিউইয়র্ক সিটিতে একটি ব্রান্ড। সুস্বাদু, হালাল ও হাইজ্যানিক খাবারের জন্য বাংলাদেশি কমিউনিটি সহ অন্যান্য জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে । ব্রংকসের পার্কচেষ্টারে এর ব্যবসায়িক হাব হলেও জ্যাকসন হাইটস ও জামাইকার হিলসাইডে এর শাখা রয়েছে। যদিও এ দুটি শাখা ভোজনবিলাসীদের কাছে আস্থার যায়গাটি তৈরি করতে পারেনি। বিশেষ করে জামাইকার খলিল বিরিয়ানী নিয়ে রয়েছে গ্রাহকদের বিস্তর অভিযোগ।
গত ২১ মার্চ শুক্রবার একটি সামাজিক সংগঠন হিলসাইডস্থ খলিল বিরিয়ানী হাউজের পার্টি হলে আয়োজন করেছিল ইফতার ও দোয়া মাহফিল। দো’তলায় খোলামেলা পরিসর যায়গাটি দেখে আয়োজকরা খুশিই ছিলেন। বক্সে ইফতারি সরবরাহ ছিল। প্রায় ৪০ জন রোজাদার এতে অংশ নেন। খেজুর, বেগুনী, জিলাপী , ফ্রুটস ও বিরিয়ানীর সাথে ছিল ছোলা। বক্সটি খোলা মাত্রই রোজাদারদের নাকে ছোলার গন্ধ আঘাত করে। একে একে সবাই ছোলা নিয়ে মন্তব্য করতে থাকেন। দায়িত্বরত ম্যানেজারকে বিষয়টি অবহিত করেন আয়োজকরা। ম্যানেজারছোলা নাকের কাছে নিয়ে ও মুখে দিয়ে টেস্ট করেন। তিনি বিনয়ের সাথে দু:খ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এমনতো হবার কথা ছিল না। গরম ছোলা হয়তো ঘন্টাখানেক বন্দী বক্সে থাকার কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা একান্তভাবেই লজ্জিত।

বিষয়টি খলিল বিরিয়ানী হাউজের সিইও খলিলুর রহমানের গোচরে আনা হয়। তিনিও সাথে সাথে হিলসাইড বিরিয়ানী হাউজে কল করে ঘটনার সত্যতা জানার চেষ্টা করেন। অনুষ্ঠানের আয়োজকদের টেলিফোন করে দু:খ প্রকাশ করেন। তিনি দু:খের সাথে বলেন, হিলসাইডের খলিল বিরিয়ানী হাউজের দায়িত্বে যারা রয়েছেন তারা মান বজায় রাখতে পারছেন না। অনেক অভিযোগ আমরা পাচ্ছি। কোম্পানীর নির্দেশনাও পালনে তারা ব্যর্থ হচ্ছেন। আমরা বারবার তাদেরকে খাবারের মান রক্ষা ও কাস্টমারদের সেবার ব্যাপারে নজর রাখার তাগিদ দিচ্ছি। তারা শুনেও শুনছেন না। এতে খলিল বিরিয়ানীর সুনাম নষ্ট হচ্ছে।

খলিল বিরিয়ানী গেল বছর চেইন রেষ্টুরেন্ট এর ফ্রানচাইজ হিসেবে স্টেটের অনুমতি পেয়েছে। বাফেলো, পেনসিলভেনিয়া, ম্যারিল্যান্ড সহ বিভিন্ন শহরে চেইন রেষ্টুরেন্ট খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু খলিল রেষ্টুরেন্টের খাবারের মান নিয়ে এমন ব্রিবতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে হোঁচট খাবে খলিলের স্বপ্ন। অভিযোগ পেলে বাতিল হয়ে যেতে পারে ফ্রানচাইজের অনুমতি। সিইও হিসেবে খলিলুর রহমানের এখনই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম