নিজস্ব প্রতিবেদক | শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০২৩ | প্রিন্ট | ৩৩৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহসভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দীন দেওয়ান আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় কুইন্স কোর্ট থেকে জামিন পেলেন। এ সময় কোর্টে তার স্ত্রী, ছেলে, ভাই জসিম, বন্ধু কাজি তোফায়েল ইসলাম,মফিজুল ভূইয়া রুমি,বাবু, তপন,কেনেডি ও আযম উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশের নির্দেশ অনুসারে কুইন্সের ১১০ পুলিশ প্রিসিংকটে গেলে তাকে বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৯টায় আটক করা হয়। মহিউদ্দীনের ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু আজকালকে বলেন, পুলিশ তার বাসায় গিয়ে প্রিসিংক্টে দেখা করা নির্দেশ দেয়। এ সময় মহিউদ্দীন বাসায় ছিলেন না। খবর পেয়ে ২ ঘন্টার মধ্যে সে প্রিসিংক্টে যায়। এ সময় তার সাথে ছিলেন সৈয়দ এনায়েত আলী,কাজি তোফায়েল ইসলাম,মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া রুমি,জেড আলম নমি ও হারুন ভুঁইয়া। প্রিসিংক্টে যাবার সাথে সাথে তাকে পুলিশ আটক করে।
বুধবার রাতেই মহিউদ্দীন অসুস্থবোধ করতে শুরু করেন।সকালে তাকে এলমহার্স্ট হাসপাতালে পুলিশের তত্ত্বাবধানে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুপুর ২টার দিকে তাকে আবার পুলিশ প্রিসিংক্টে আনা হয়। তার পরিবার কোর্টে নিয়ে জামিনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু কোর্টের সিরিয়াল না পাওয়ায় জামিন প্রক্রিয়া বিলম্ব হচ্ছিল।
গত ২ জুলাই বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি কমিটির সভায় মহিউদ্দীন দেওয়ানের সাথে কোষাধ্যক্ষ নওশেদ হোসেনের মধ্যে হাঙ্গামা ঘটে। এতে নওশেদসহ অনেকেই আহত হন। সভাপতি আব্দুর রব মিয়াও সাধারন সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী বৈঠক শেষে উভয়পক্ষের মধ্যে আপোষরফা করে দেন। সভা শেষে মহিউদ্দীন দেওয়ান ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। নওশেদ হোসেন আঙ্গুলে ব্যথা পাওয়ায় পুলিশ কল করে রিপোর্ট করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ বুধবার তাকে গ্রেফতার করে।
বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রব মিয়া বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিবেদককে বলেন, যা হবার তাতো হয়ে গেছে। আশা করছি তার শিগ্রই জামিন হবে। এরপর আমরা কার্যকরি কমিটি বসে সিদ্ধান্ত নেব। সোসাইটির সাধারন সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকীর দৃষ্টি আর্কষণ করলে তিনি বলেন, মহিউদ্দীনের গ্রেফতারের সংবাদ শুনেছি। আমি গত কয়েকদিন ধরেই বাফেলোতে অবস্থান করছি। শনিবার সিটিতে ফিরবো। এরপর আলোচনা করে করণীয় ঠিক করবো। তবে যা ঘটলো তা খুবই দুঃখজনক। সোসাইটির ভাবমূর্তির উপর বড় আঘাত। দায়ভার আমাদের ওপরও বর্তায়।
বাংলাদেশ সোসাইটির সভায় হাঙ্গামার ঘটনায় সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ নওশেদ হোসেনের মামলার প্রেক্ষিতে তাকে পুলিশ আটক করেছিল।