শনিবার ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শনিবার বদরুল খানদের সংবাদ সম্মেলনঃসাধারন সম্পাদক মইনুল শো’কজের জবাব দেননি

জালালাবাদ এসোসিয়েশন নিয়ে  বিভ্রান্তিঃ মইনুলের বিরুদ্ধে আড়াই লাখ ডলার উত্তোলনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   498 বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জালালাবাদ এসোসিয়েশন নিয়ে  বিভ্রান্তিঃ মইনুলের বিরুদ্ধে আড়াই লাখ ডলার উত্তোলনের অভিযোগ

নিউইয়র্ক তথা প্রবাসে ঐতিহ্যবাহী সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নেতৃত্বের তিক্ততা ও অস্থিরতা দিনদিন বেড়েই চলছে। এ সংকটে আক্রান্ত হচ্ছে কমিউনিটিও। মিটিং পাল্টা মিটিং হচ্ছে প্রতিদিন। সাধারন সম্পাদক নতুন একটি করপোরেশন ‘জালালাবাদ ইউএসএ ইনক’র ’ নাম দিয়ে একটি বাড়ি কিনেছেন। নাম দিয়েছেন জালালাবাদ ভবন। বলছেন, এটিই জালালাবাদ এসাসিয়েশনের ভবন ও কার্যালয়। যদিও বাড়িটির ক্রয় সংক্রান্ত দালিলিক কাগজপত্র মইনুল ইসলামের নামে। তবে তিনি বলছেন, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা আর্থিক দায় দেনা তাকে মিটিয়ে দিলে মালিকানা ট্রান্সফার করে দিবেন। তার প্রতিপক্ষরা বলছেন, ভবনটি যদি জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা নামে কেনা হয়নি, তা’হলে মইনুল কিভাবে জালালাবাদ ভবন নাম দিলেন। এটাতো ব্যক্তির খেয়াল খুশি মতো হতে পারে না। নিজ নামে এই বাড়ি কিনতে তিনি সংগঠনের ৩ লাখ ডলার তুলে ফেলেছেন। মইনুল বলছেন, আমি যা করেছি গত কমিটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের পরামর্শে। তাদের সাথে আমার ডিড রয়েছে। এটি হবে জালালাবাদ ভবন। এ ভবনকে কেন্দ্র করে পক্ষে বিপক্ষে বিবৃতি আসতে শুরু করেছে। সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান ও এম এ কাইয়ুম জালালাবাদ ভবন কেনায় অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সাথে উভয় পক্ষ একসাথে বসে বিরোধ নিষ্পত্তির আহবান জানিয়েছেন তারা। এদিকে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে কার্যকরি কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই জালালাবাদ এসোসিয়েশনের একাউন্ট থেকে তৎকালীন কোষাধ্যক্ষ (বর্তমানে সাধারন সম্পাদক) মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আড়াই লাখ ডলার উত্তোলনের অভিযোগ তুলেছেন সভাপতি বদরুল খানের সর্মথকরা। এ ব্যাপারে গত বুধ ও বৃহস্পতিবার সাধারন সম্পাদক মইনুল ইসলামের সাথে কয়েকবার টেলিফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। তিনি টেক্সট ম্যাসেজে বলেন, প্লিজ টেক্সট করুন। কয়েকবার তারই অনুরোধে টেক্সট মেসেজ পাঠানো হয়। পরে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায় ‘মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আড়াই লাখ ডলার উত্তোলন’ অভিযোগ সংক্রান্ত কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গত রোববার ব্রংকসের এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুলের হল রুমে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার বর্তমান ও সাবেক কমিটির সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্যরা উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে এক আলোচনায় মিলিত হন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি বদরুল খান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আজমল হোসেন কুনু, তোফায়েল চৌধুরী, এডভোকেট নাসির উদ্দীন, সাবেক সভাপতি বদরুন্নাহার খান মিতা, সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজবাহ মজিদ, আবুল হাসিব, জিল্লুর রহমান,রোকন হাকিম, জামিল আনছারি ও মোঃ সেলিমসহ অনেকেই। এ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়,  শনিবার ২৮ জানুয়ারি জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কার্যকরি কমিটি সংগঠনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন। সেক্রেটারি মইনুলকে দেয়া শো’কজ এর জবাব দেবার শেষ দিন ২৭ জানুয়ারি শুক্রবার। পরদিনই সংবাদ সম্মেলন। ৬ ফেব্রুয়ারি সংগঠনের সাধারন সভা। সেখানেই সাধারন সম্পদক মইনুল ইসলামের ব্যাপারে ফয়সালা হবে বলে জানা গেছে। ব্রংকসের বৈঠকের ব্যাপারে দৃষ্টি আর্কষন করলে বদরুল খান বলেন, আমরা একটি পরামর্শ সভায় বসেছিলাম। সেখানে সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা ছিলেন। সাবেক সভাপতি মইনুল হক হেলাল ছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাকে টেলিফোন করেছিলাম। ৩ বার মেসেস রেখেছি সভায় আসবার জন্য । তিনি কোন রিসপন্স করেন নাই। বরং দেখলাম সেক্রেটারিকে নিয়ে এস্টোরিয়ায় সভা করছেন। মইনুল হক হেলাল অবশ্য প্রতিবেদককে বলেন, ব্রংকসের সভার দাওয়াত আমি পাইনি।

২০২০ সালে কোষাধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম কর্তৃক ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার উত্তোলনের প্রশ্নে বদরুল খান বলেন,  কমিটির কেউ জানতো না। কমিটির অনুমোদন ছাড়াই এ অর্থ তোলা হয়েছিল। যা সংগঠনের নিয়মনীতি বর্হিভূত। এসব অনিয়মের ব্যাপারে সংগঠনের সাধারন সদস্যরাই সিদ্ধান্ত নেবেন। এদিকে ব্রংকসে যখন পরামর্শ সভা চলছিল, সাধারন সম্পাদক মইনুল ইসলাম এস্টোরিয়ার জালালাবাদ ভবনে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীদের আমন্ত্রন জানিয়ে মতবিনিময় করছিলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদের সাবেক সভাপতি মইনুল হক হেলাল ,বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রব মিয়া , সাধারন সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী , সিনিয়র সহসভাপতি মহিউদ্দীন দেওয়ান ও কোষাধ্যক্ষ নওশাদ হেসেন । কয়েকদিন আগের সভায় শো টাইম মিউজিক খ্যাত আলমগীর খান আলম ও কমিউনিটি একটিভিস্ট আহসান হাবিবসহ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী ‘জালালাবাদ ভবন” পরিদের্শন করতে গিয়েছিলেন। বদরুল খানের সর্মথক একজন নেতা প্রতিবেদককে বলেন, জালালাবাদ বির্তকের উর্ধ্বে একটি সংগঠন। কিন্তু সাধারন সম্পাদক বির্তকিত একটি ভবনে কমিউনিটির লোকজন নিয়ে যেভাবে শো ডাউন করছেন, তাতে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।

জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মইনুল হক চৌধুরী প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারির ‘ইগো’ই সংকটকে উস্কে দিচ্ছে। অথচ তারা নির্বাচনে একই প্যানেলের হয়ে লড়লেন। সেক্রেটারি কেন সভাপতির কাছ থেকে সরে গেলেন? ভূল ২ জনেরই আছে। জালালাবাদের ঐতিহ্য রয়েছে। সংগঠনের মান সন্মানকে নষ্ট করতে দেয়া যায় না। আমি ২ পক্ষের সাথেই কথা বলছি। এ সপ্তাহে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যসহ মুরুব্বীদের সাথে যোগাযোগ করবো। একটা সুরাহা বের হবে ইনশাল্লাহ।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে কার্যকরি কমিটির অগোচরে কোষাধ্যক্ষ মইনুল ইসলাম ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার তুলে ছিলেন। এটা কি সত্য? আপনিতো তখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। জবাবে মইনুল হক হেলাল বলেন, তখন গোটা আমেরিকা করোনায় আক্রান্ত। ঘরের বাইরে কেউ যেতে পারছি না। বিভিন্ন শহরে কারফিউ চলছিল। এমন সময় কোষাধ্যক্ষ মইনুল একটি বাড়ি কেনার প্রক্রিয়ার কথা বলেছিল। সম্ভবতঃ তখন টাকাটা তুলেছিল। পরে সে টাকা একাউন্টে ফিরে এসেছে। সংগঠনের টাকা খোয়া যায়নি। ভবন ক্রয় প্রশ্নে সাবেক এই সভাপতি বলেন, পরিস্থিতির কারনে নতুন করপোরেশনের নামে মইনুল বাড়িটি কিনেছে? তা’হলেতো জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার বাড়ি বা ভবন এটি নয়? মইনুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান কাগজপত্র অনুসারে তা সত্য। তবে মইনুল ইসলাম আমার ও সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান শেফাজের সাথে একটি ডিড স্বাক্ষর করেছে। তাতে সে বলেছে এটি জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার ভবন হিসেবে গণ্য হবে। আমরা বসে আলোচনার মাধ্যমে বাড়িটি মূল সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার নামে রেজিস্ট্রি করে নিতে পারি। ফান্ড বা অর্থ কোন সমস্যা নয়। জ্বনাব হেলাল আরও বলেন, সিলেটবাসীরা ইচ্ছে করলে এক দিনেই ঘরের টাকা তুলে ফেলতে পারে। সেক্রেটারি মইনুলও বাড়িটি ট্রান্সফারের জন্য প্রস্তুত আছে। শুধু প্রয়োজন সমঝোতা ও উভয় পক্ষের সদিচ্ছা। ইগোটাকে পরিহার করতে পারলেই সম্ভব।

বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রব মিয়া ও সাধারন সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী গত ২২ জানুয়ারি রোববার সেক্রেটারি মইনুল ইসলামের আমন্ত্রনে জালালাবাদ ভবনে গিয়েছিলেন। এ খবর জানাজানি হবার পর সিলেটবাসীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। যে ভবন নিয়ে প্রবাসী সিলেটবাসীরা বিভক্ত, এমন একটি যায়গায় সোসাইটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক কিভাবে গেলেন? প্রতিবেদক এ ব্যাপারে আব্দুর রব মিয়ার কাছে জানতে চান? রব মিয়া বলেন, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সেক্রেটারি মইনুল ইসলাম সংগঠনের ভবন কেনার খবর জানালেন। ভবনটি দেখার জন্য আমন্ত্রন করলেন। ১ সপ্তাহ ধরে কল করেছেন। আমরা কুইন্সেই ছিলাম। তার অনুরোধে তা দেখতে গিয়েছিলাম। এটা ছিল ভাতৃপ্রতিম একটি সংগঠনের সেক্রেটারির দাওয়াতে ‘গুড উইল’ ভিজিট। ভবন নিয়ে এসোসিয়েশনের মধ্যে এতও সমস্যা আছে তা আমার জানা ছিল না। সামাজিক ভদ্রতায় কেউ দাওয়াত দিলে যেতে হয়। আমরা কারও পক্ষপাতিত্ব করার জন্য যাইনি। তা’ছাড়া এ সংঘঠনের সভাপতি বদরুল খানও আমার ঘনিষ্ঠ মানুষ। তাদের মধ্যে এতও সমস্যা রয়েছে তা জানতাম না। তবে আমার প্রত্যশা তারা এক সাথে মিলে যাবেন। জালালাবাদ এসোসিয়েশনের মতো বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন আগামীতে এগিয়ে যাবে।

লাইফ মেম্বার মোহম্মদ আহিয়া’র আহবান

আসসালামু আলাইকুম আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ বেশ কয়েকদিন যাবত জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের ভবন নিয়ে সবাই সরগরম। আমি জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন এর একজন সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে এবং একজন আজীবন সদস্য হিসেবে কিছু কথা বলতে চেষ্টা করবো। সম্মানিত জালালাবাদ বাসী, আমাদের কোন দুর্ঘটনা ঘটনা হউক, চুরি, ডাকাতি, আগুন লেগে ঘর পুড়ে যাওয়া ইত্যাদি ঘটতে পারে। তাই বলে আমরা সবাই কে করলো, কেন হল,বলে চিৎকার করলে বা আমরা আমাদের সম্পদ পুর্ব অবস্থায় ফেরত চাই বলে হাউমাউ করে চেচামেচি করে কখনও পুর্ব অবস্থায় আমাদের সম্পদ ফিরে পাব না । যেকোন জিনিস পুনঃ উদ্ধার করতে হলে কিছু কৌশল ও নিয়মনীতি অনুসরণ করতে হবে। আমার মনে হয়েছে, জালালাবাদ ভবন সঠিক নিয়মে ক্রয় করা হয় নাই। তাতে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন এর ভবন না হয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন ভবন হয়ে গেছে। তাতে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন এর সদস্যদের আঘাত লেগেছে। আমরা মর্মাহত হয়েছি। কিন্তু যে দামে ঐ বাড়ী ক্রয় করা হয়েছে ঐ সমপরিমাণ অর্থ সংগঠন এর তহবিলে ছিল না, তাই যাহারা ঐ ক্রয় প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন উনারা ভুল করে হউক বা কোন আলোচনা না করে হউক একটা ভুল করেছে। তাই আমাদের উচিত হবে ভবনটিকে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন এর মালিকানায় ফিরিয়ে আনা। এবং ঐ মালিকানা ফিরে পেতে যা করনীয় পরামর্শ ও আলোচনা করা। এতে প্রথমেই বাড়ির মুল্য নির্ধারন করে ডাউন পেমেন্ট বাদ দিয়ে অবশিষ্ট টাকা কিভাবে যোগাড় হবে তার প্রস্তাব চুড়ান্ত করে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন এর ভবন রক্ষা করা উচিত । এ বিষয়ে ওয়াসী চৌধুরী ভাই যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন আমি মনে করি তা উত্তম । গঠনতন্ত্র সংশোধন করে আজীবন ডাইরেক্টর এর পদ সৃষ্টি করা হউক। জালালাবাদ ভবন এর জন্য ২০০ জন আজীবন ডাইরেক্টর পাওয়া কোন কঠিন কাজ নয়। ২ হাজার ডলার দিয়ে আজীবন ডাইরেক্টর হওয়ার ঘোষণা দিলে এক মাসের মধ্যে তা পাওয়া যাবে বলে আমার বিশ্বাস। তাতে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন এর ভবন ও আর কোন ব্যক্তি মালিকানায় থাকবে না । জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন এর নিজস্ব মালিকানায় থাকবে।

Facebook Comments Box

Posted ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩

nykagoj.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম
Contact

+1 845-392-8419

E-mail: nykagoj@gmail.com