শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির কামব্যাক, আসছে ৫০তম ছবি

বিনোদন ডেস্ক   |   রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ১২৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা জুটির কামব্যাক, আসছে ৫০তম ছবি

উত্তম-সুচিত্রার পরবর্তী সময়ে বাংলা ছবির ইতিহাসের সবচেয়ে সফল জুটি প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা। বাংলা সিনেমার দুই মহারথী এক সময় জুটিতে উপহার দিয়েছেন ‘মায়ার বাঁধন’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’-এর মতো সুপারহিট সিনেমা। তবে নতুন শতাব্দীর শুরুতেই দূরত্ব তৈরি হয় দুই বন্ধুর সম্পর্কে। জানা যায়, ঋতুপর্ণার কথায় নাকি মর্মাহত হয়েছিলেন বুম্বাদা। দুই তারকার ইগোই বাধা হয়ে দাঁড়ায় বন্ধুত্বের মাঝে।

বাংলা ছবির স্বার্থে শিবপ্রসাদ-নন্দিতার হাত ধরে ফিরেছিল এই জুটি। ২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’এর পর প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার ৪৮তম ছবি ‘প্রাক্তন’। তারপর কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘দৃষ্টিকোণ’। এই জুটির ম্যাজিক যে আজও অটুট তা প্রমাণিত। এবার পর্দায় ৫০তম বার একসঙ্গে ঋতু-প্রসেনজিৎ। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ‘অযোগ্য’ ছবিতে জুটি বাঁধছেন দুজনে। ছবির নতুন পোস্টার সামনে এল গত রোববার।

সিনেমার পোস্টারে কর্পোরেট লুকে ‘রক্তিম’ প্রসেনজিৎ, শার্টের উপর ব্লেজার চাপানো। শাড়ি-সিঁদুরে গৃহবধূর বেশে ধরা দিলেন কৌশিকের পর্ণা অর্থাৎ ঋতুপর্ণা। দুজনের চোখের চাহনি রহস্যমাখা। সম্পর্কের টানাপোড়নে কৌশিকের ছবিতে বরাবর প্রাধান্য পেয়েছে, এই ছবিতেও তার অন্যথা হবে না। সুরিন্দর ফিল্মসের প্রযোজনায় তৈরি হচ্ছে এই ছবি। ২০১৮ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘দৃষ্টিকোণ’। এরপর কেটেছে প্রায় ৫ বছর। লম্বা অপেক্ষার পর প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার হাফ সেঞ্চুরি।

বুম্বাদার কথায়, এর আগে এদেশের সিনেমার ইতিহাসে কোনও জুটি হাফ সেঞ্চুরি করেছে বলে মনে হয় না। আগেই নায়ক বলেছেন, ‘আমাদের কাজটা করতে খুব ভালো লেগেছে একসঙ্গে। ঋতুর সঙ্গে এটা আমার মাত্র ৫০তম ছবি তো! সেই ভারটা বহন করার জন্য একটা কাঁধ খুঁজছিলাম, সেই কাঁধটা কৌশিকদার মধ্যে পেয়েছি। আমাদের জুটির ৫০তম ছবির ভারটা বহন করতে হবে তো! আশা করছি দর্শক এই ছবির জন্য অপেক্ষা করবে’। আর বেশিদিন নয়, আগামী ৭ জুন মুক্তি পাবে অযোগ্য। অর্থাৎ লোকসভা ভোট শেষ হলেই সিনেমাহলে অযোগ্য নিয়ে হাজির হবেন প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা।

ব্যাংক কর্মী রক্তিম মজুমদার ও তাঁর স্ত্রী পর্ণার দাম্পত্যের টানাপোড়ন নিয়েই এগোবে অযোগ্য। রক্তিমের চাকরি চলে যাওয়ায় তাঁদের সংসারের সমীকরণ হঠাৎই বদলে যায়। পরিস্থিতি কঠিন হয়, রক্তিমকে বাড়িতে থাকতে হয় এবং সন্তানের দেখাশোনা করতে হয়। এদিকে পর্ণাকে কাজ নিতে হয় ইনভেস্টমেন্ট ফার্মে। এরই মাঝে তাঁদের জীবনে এসে হাজির হয় প্রসেন। আর তাতে সাধারণ মধ্যবিত্ত ছন্দে চলতে থাকা এই মধ্যবিত্ত কাপলের জীবনের সমীকরণ নিয়ে এগিয়ে যাবে সিনেমার গল্প।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম