বাংলাদেশ ডেস্ক | বৃহস্পতিবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৩ | প্রিন্ট | ১৩৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে অস্থিরতা কাটছে না। চার বছরে প্রতিষ্ঠানটিতে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে দায়িত্ব পেয়েছেন চার জন। তাঁরা একই সঙ্গে প্রধান নির্বাহী বা সিইও পদও ধারণ করেন।
গত চার বছরে এ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন মোকাব্বির হোসেন, ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল, যাহিদ হোসেন ও সর্বশেষ শফিউল আজিম। তবে প্রত্যেক সিইওকে তিন বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়।
জানা গেছে, নিয়োগের আগে বিমানকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নানা প্রতিশ্রুতি দেন তাঁরা। কিন্তু দুর্নীতি-অনিয়মসহ নানা অভিযোগের কারণে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারেন না। তাই মেয়াদ শেষ না হতেই অসময়ে চলে যেতে হয় তাঁদের। এ পদে বসেন অতিরিক্ত সচিব মর্যাদার কর্মকর্তারা।
সর্বশেষ গত ৭ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে শফিউল আজিমকে সিইও পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। মঙ্গলবার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট এয়ারলাইন্স হবে বিমান।তাঁর এই প্রতিশ্রুতি কতদূর বাস্তবায়ন হবে সেটা এখন দেখার বিষয়।
আগের তিন সিইওর বিরুদ্ধে বিমানের ১২টি পদে জনবল নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁস, অযোগ্য ১৪ জন পাইলট ও কো-পাইলট নিয়োগ, কোটি কোটি টাকা খরচে বিদেশে তাঁদের প্রশিক্ষণ, ঢাকা-টরেন্টো ফ্লাইট পরিচালনায় নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১২ মার্চ বিমানের সিইও হিসেবে মোকাব্বির হোসেন যোগদান করার পর ২০২০ সালের ২৪ ডিসেম্বর তাঁকে রেলওয়েতে বদলি করা হয়। ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সিইও পদে যোগদান করেন ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল। এক বছর ৪ মাসের মাথায় তাঁকে বদলি করা হয় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে। এরপর গেল বছর ২০২২ সালের ১৩ জুলাই বিমানের সিইও পদে নিয়োগ পান যাহিদ হোসেন। মাত্র কয়েক মাসের মাথায় তাঁকেও অন্যত্র বদলি করা হয়।