শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিতে আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়ার বিদায়

খেলা ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ১২৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিতে আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়ার বিদায়

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিতে যাওয়ার লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ, আফগানিস্তানও ছিল। কিন্তু সব কিছুই নির্ভর করছিল কঠিন সব সমীকরণে। আফগানদের ১১৫ রানে থামিয়ে সেই লক্ষ্য ১২.১ ওভারে টপকালে শেষ চারে যাওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু সাকিব-শান্তরা সেটি পারেনি। একপ্রান্ত আগলে রেখেও বাংলাদেশকে জেতাতে পারল না লিটন। বরং রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশকে ৮ রানে হারিয়েছে আফগানিস্তান।

এতে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে যাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে রশিদ খানের দল। বাংলাদেশের হারে সেমিফাইনালের আগেই ছিটকে গেল অস্ট্রেলিয়াও। আগামী ২৭ তারিখ ভোরে প্রথম সেমিফাইনালে ত্রিনিদাদে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান।

তানজিমকে ফেরালেন গুলবাদিন

গুলবাদিনের শর্ট বলে তানজিমের বিদায়। এই মুহুর্তে ম্যাচ জেতাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের জন্য। ২৪ বলে লাগবে ২০ রান

১৯ ওভারে বাংলাদেশের টার্গেট ১১৪

তৃতীয় দফায় বৃষ্টিতে ১ ওভার কাটা গেছে। তাতে নতুন টার্গেট পেয়েছে বাংলাদেশ। ১৯ ওভারে বাংলাদেশের করতে হবে ১১৪ রান। এর আগে ২০ ওভারে বাংলাদেশের টার্গেট ছিল ১১৬ রান।

বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকায় কি গুলবাদিনের ক্রাম্প নাটক?

১২তম ওভার থেকেই আকাশে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। ওই ওভারের পঞ্চম বলে হঠাৎ করে ডাগআউট থেকে ট্রট সঙ্কেত দিচ্ছিলেন, সময় নিতে। এসময় পঞ্চম বল করার আগেই স্লিপে পড়ে গেলেন গুলবদিন নাইব। দেখে মনে হয়েছে ক্র্যাম্প। তবে সেটিকে সময় নষ্ট করার কৌশল হিসেবেই দেখছেন কমেন্টেটররা। এমনকি অধিনায়ক রশিদও সন্তুষ্ট হতে পারেননি সতীর্থর এমন আচরণে। উঠে যাওয়ার সময় লিটনও হাসতে হাসতে কিছু একটা বলছিলেন নবীকে। ডিএলএস পদ্ধতিতে বাংলাদেশ পিছিয়ে ২ রানে। এই মুহূর্তে ম্যাচ পণ্ড হলে বাংলাদেশ হেরে যাবে দুই রানে।

মাহমুদউল্লাহ-রিশাদকে হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

দলকে বিপদে ফেলে ফিরলেন মাহমুদউল্লাহ। আফগানিস্তানের রিভিউতে রশিদ খানের বলে উইকেট হারায় মাহমুদউল্লাহ। ৯ বলে ৬ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। এর পরের বলেই রিশাদকে বোল্ড করে উল্লাসে মাতলেন রশিদ খান। ম্যাচ জিততেই কঠিন হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের। জিততে দরকার ৩৬ রান হাতে ৩ উইকেট।

ছক্কার চেষ্টায় ফিরলেন হৃদয়

এবার রশিদের শিকার হৃদয়। নবীর মতো রশিদকেও স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ৯ বলে ১৪ রান করে থামলেন হৃদয়। বাংলাদেশ হারাল পঞ্চম উইকেট।

রশিদ খানে বোল্ড সৌম্য, বাংলাদেশের পঞ্চাশ

দলীয় ৪৮ রানে সৌম্যকে হারায় বাংলাদেশ। রশিদ খানের ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়ে ফেরার আগে ১০ বলে ১০ রান করেন তিনি। ৭ ওভার শেষে ৪ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫১ রান।

বৃষ্টির পর খেলা শুরু, ওভার কাটা যায়নি

বৃষ্টিতে ২৮ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হয়েছে। কোনো ওভার কাটা হয়নি। ২০ ওভারে ১১৬ রানের লক্ষ্যেই আবার ব্যাটিং শুরু করল বাংলাদেশ। তবে এরপর আবার বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হলে ওভার কাটা শুরু হবে। ৩.২ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩১ রান। ৮ বলে ১৩ রানে খেলছেন লিটন কুমার দাস। ৩ বলে ৬ রান করেছেন সৌম্য সরকার।

শান্ত-সাকিবের আউটের পর বৃষ্টি, ওভার কমলে যেমন হবে লক্ষ্য

২৩ রানে তিন উইকেট হারানোর পর ৩.২ ওভারে বৃষ্টির কারণে বন্ধ হয় খেলা। যদি বৃষ্টির কারণে ওভার কমে যায় তাহলে কার্যকর হবে ডিএলএস পদ্ধতি। এমনটা হলে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশের সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে বৃষ্টিতে ম্যাচের দৈর্ঘ্য ৫ ওভার কমলে অর্থাৎ ১৫ ওভারের ম্যাচ হলে সেমিতে উঠতে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়াবে ৭.২ ওভারে ৯৪ রান।

২৩ রানে তিন উইকেট নেই বাংলাদেশের

সেমির লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৩ রানেই তিন উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তৃতীয় শূন্যর দেখা পান তানজিদ। এরপর দ্রুতই শান্ত-সাকিবকে হারায় বাংলাদেশ। শান্ত করেন ৫ রান। সাকিব ফেরেন খালি হাতেই। শান্ত-সাকিব দুজনকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন নাভিন। হ্যাটট্রিক বলটা ঠেকালেন সৌম্য। ৩.২ ওভার যেতেই আবারও বৃষ্টির কারণে বন্ধ আছে খেলা। বৃষ্টির আগে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩১ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। লিটনের সঙ্গে আছেন সৌম্য সরকার।

সেমিতে যেতে ১২.১ ওভারে জিততে হবে বাংলাদেশকে

বাংলাদেশকে ১১৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে আফগানিস্তান। আগে ব্যাটিং করতে নেমে ৫ উইকেটে ১১৫ রান করেছে রশিদ খানের দল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেছেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। রান রেটে এগিয়ে সেমিফাইনালে যেতে হলে বাংলাদেশকে ১২.১ ওভারে এই লক্ষ্য ছুঁতে হবে।

স্কোর লেভেল করে যদি চার মারতে পারে বাংলাদেশ, তাহলে সময় পাবে ১২.৩ ওভার। কিংবা স্কোর লেভেল করে যদি ছক্কা মারতে পারে বাংলাদেশ, তাহলে সময় পাবে ১২.৫ ওভার।

এদিন শুরুতে আফগানিস্তানের ব্যাটারদের উইকেট নিতে না পারলেও রানের গতি ভালোভাবেই নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। চাপের মধ্যে রেখে ৫৯ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন রিশাদ। এরপর ৮৪ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটান মুস্তাফিজুর রহমান। আউট হন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

এরপর নিজের তৃতীয় ওভার বল করতে এসে এবার আরও বেশি বিধ্বংসী রিশাদ হোসেন। এক ওভারেই নিলেন ২ উইকেট। ফেরালেন দুই মারকুটে ব্যাটার রহমানউল্লাহ গুরবাজ এবং গুলবাদিন নাইবকে। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় আফগানরা। ২৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ইনিংসের সেরা বোলার রিশাদ।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম