শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

ফুটবল থেকে মন উঠে যাচ্ছে ভিনির

খেলা ডেস্ক   |   বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ৯৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ফুটবল থেকে মন উঠে যাচ্ছে ভিনির

বর্ণবাদের সঙ্গে লড়তে লড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। গত সোমবার স্পেন-ব্রাজিল প্রীতি ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড। বর্ণবাদের সঙ্গে লড়তে লড়তে নাকি ফুটবল খেলার ইচ্ছাটাই মরে যাচ্ছে ব্রাজিলিয়ান এই তারকার। গতকাল গভীর রাতে রিয়ালের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রীতি ম্যাচটি হয়ে যাওয়ার কথা। দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশন বর্ণবাদের বিরুদ্ধে প্রচারণার অংশ হিসেবেই এ ম্যাচটি আয়োজন করেছে।

পাঁচ বছর আগে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন ভিনিসিয়ুস। রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর থেকেই প্রতিপক্ষ সমর্থকরা তাঁকে উদ্দেশ করে বর্ণবাদী মন্তব্য করে আসছেন। তবে বিরামহীন বর্ণবাদী আক্রমণ সত্ত্বেও লা লিগা ছাড়ার কথা ভাবছেন না ভিনি।

সোমবার রাতে মাদ্রিদে সংবাদ সম্মেলনে সে দুঃখের কথাই শোনান তিনি, ‘আমি এখানে অনেক দিন ধরেই এটা (বর্ণবাদী আচরণ) দেখছি। এসব দেখে আমার দুঃখবোধ বেড়ে যাচ্ছে। দিনে দিনে আমার খেলার ইচ্ছা মরে যাচ্ছে। প্রতিবারই আমি যখন এ বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করি আমার ভীষণ খারাপ লাগে। তবে এগুলোর পরও আমাকে এখানে উপস্থিত হয়ে মুখ দেখাতে হবে। আমি যদি স্পেন ছাড়ি, তাহলে বর্ণবাদীরা যা চায় তাদের সেটাই দেওয়া হবে। আমি ফিফা, উয়েফা, কনমেবল, সিবিএফ (ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন)-এর কাছে সহায়তা চেয়েছি। সমস্যাটা হচ্ছে স্পেনে বর্ণবাদকে অপরাধ হিসেবে দেখা হয় না।’

লা লিগায় গত মৌসুমে ১০টি বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ প্রসিকিউটরদের কাছে দায়ের করেন ২৩ বছর বয়সী এ তারকা। চলতি মৌসুমেও একই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে তাঁকে, ‘আমি স্রেফ ফুটবল খেলতে চাই। কিন্তু সামনে এগিয়ে যাওয়া খুব কঠিন… (বর্ণবাদী মন্তব্য শুনতে শুনতে) খেলার প্রতি আমার আগ্রহই কমে যাচ্ছে।’

গত মাসে ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে ভিনিসিয়ুসকে লক্ষ্য করে বর্ণবাদী মন্তব্য করায় ১০ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল। এর পর বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিতও করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাদের শাস্তি না হওয়ায় পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি, ‘এটা দিন দিন আরও বেদনাদায়ক হচ্ছে। প্রতিদিন, প্রতি ম্যাচ, প্রতিটি প্রতিযোগিতায় এসবের মধ্য দিয়ে যাই আমি। (অপরাধীদের) শাস্তি না হওয়াটা খুবই হতাশাজনক। আমরা যদি ওদের শাস্তি দেওয়া শুরু করতে পারি, অবশ্য এতেও তারা তাদের ভাবনা বদলাবে বলে মনে হয় না। তবে তখন স্টেডিয়াম কিংবা ক্যামেরার সামনে এ ধরনের আচরণ করতে তারা ভয় পাবে। এ ধরনের মানুষদের ভয়ের মধ্যে রাখতে হবে। আমি এর জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে চাই, যদিও এটা ভীষণ কঠিন। আমরা ম্যাচ হারলাম না জিতলাম, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। এ লড়াইয়ে জয়ী হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।’

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম