শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

২৩২ বল হাতে রেখে জিতলো বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক   |   সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ১৫৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

২৩২ বল হাতে রেখে জিতলো বাংলাদেশ

শক্তিমত্তার বিচারে দুই দলের মধ্যে যোজন যোজন দূরত্ব। তার প্রভাব পড়েছে মাঠের ক্রিকেটেও। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সামনে দাঁড়াতেই পারলো না জাপান অনূর্ধ্ব-১৯ দল। একশর আগে অলআউট হওয়া জাপান বোলিংয়েও ছিল ছন্নছাড়া। ২৩২ বল হাতে রেখে ৯ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাইতে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৭ ওভার ১ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৯৯ রানে থামে জাপান অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে খেলতে নেমে ১১ ওভার ২ বলে এক উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশের যুবারা।

১০০ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে উড়ন্ত শুরু করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার। ১৬ বলে ২৯ রান করে জিসান আলম সাজঘরে ফিরলে ভাঙে ৭১ রানের উদ্বোধনী জুটি। জিসান ফিরলেও রানের গতিতে কোনো প্রভাব পড়েনি।

আরেক ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলি ফিফটি করেছেন ৪৩ বলে। দ্বিতীয় উইকেট রিজওয়ানের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ২৯ রানের জুটিতে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন শিবলি। শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত থেকেছেন ৪৫ বলে ৫৫ রান করে। আর রিজওয়ান করেছেন অপরাজিত ১০ রান।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল জাপানের যুবারা। শুরুর পাওয়ার প্লেতে এক উইকেট হারিয়ে ২০ রানের বেশি তুলতে পারেনি তারা। রান তোলার চেয়ে উইকেট ধরে রাখার পেছনেই বেশি মনোযোগী ছিল জাপানের ব্যাটসম্যানরা।

রান তোলার গতি এতই ধীর ছিল, ৫০ রান তুলতেই জাপানের ব্যাটাররা খরচ করে ২৬ ওভার। ওপেনার নিহার পারমার খেলেছেন ৮০ বলে মাত্র ১৮ রানের ইনিংস। আরেক ব্যাটার আদিত্য ৮ রান করতে খেলেছেন মোট ৩২ বল। কাজুমা ১৩ রান করতে খেলেছেন ৪২ বল।

টপঅর্ডারের এই তিন ব্যাটারের ইনিংসের চিত্রই বলে দেয়, জাপান ব্যাটিংয়ের বেলায় ঠিক কতখানি ধীরগতির ছিল। পরবর্তীতে অবশ্য দ্রুত উইকেট হারাতে শুরু করে তারা। ৫৪ থেকে ৫৮ এই চার রানের ব্যবধানে ৪ উইকেটই হারায় জাপান। এরপর একটা জুটি এসেছিল হুগো কেলি এবং কেইফার লেইকের মাঝে। তবে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশি বোলারদের তোপে স্কোর বড় করা হয়নি কারোরই। ৯৯ রানেই অলআউট হতে হয় জাপানকে।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম