খেলাধূলা ডেস্ক | বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩ | প্রিন্ট | ১৩৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩৪৪ রান তাড়া করে দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে পাকিস্তান। আসরের দুই ম্যাচেই পূর্ণ পয়েন্ট তুলে নিয়েছে তারা। দলের বড় জয়ে জোড়া সেঞ্চুরি করেছেন পাকিস্তানের দুই ব্যাটার। ওই ম্যাচে বেশ কিছু রেকর্ডও হয়েছে।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড গড়েছে পাকিস্তান। এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩২৮ রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি ছিল আইরিশদের। এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩২২ রান তাড়া করে জিতেছিল বাংলাদেশ।
বিশ্বকাপে প্রথমবার এক ম্যাচে চার সেঞ্চুরির ঘটনা ঘটেছে। ম্যাচে পাকিস্তানের আব্দুল্লাহ শফিক এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান সেঞ্চুরি করেছেন। শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমা সেঞ্চুরি করেছেন।
এর আগে আরও দু’বার এক ইনিংসে চার সেঞ্চুরির ঘটনা আছে। ১৯৯৮ সালে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে লাহোরে চারটি সেঞ্চুরির দেখা মিলেছিল। ২০১৩ সালে নাগপুরে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে হয়েছিল চারটি সেঞ্চুরি।
বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ রিজওয়ান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংসের কীর্তি গড়েছেন। তিনি খেলেছেন ১৩১ রানের ইনিংস। এর আগে ইমরান নাজির জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৭ সালে ১৬০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এরপরে আছে ১৯৯২ বিশ্বকাপে কিউইদের বিপক্ষে রমিজ রাজার ১১৯ ও একই বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আমির সোহেলের ১১৪ রান।
উইকেটরক্ষক হিসেবে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেছেন রিজওয়ান। তার আগে কামরান আকমলের ১২৪ ও ১১৬ রানের ইনিংস ছিল। অন্য ইনিংসটি রিজওয়ানের ১১৫। বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টানা ৮ জয়ের কীর্তি গড়েছে পাকিস্তান। টানা ৭ জয়ের কীর্তি আছে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের।
বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো দুই দলেরই চারে নামা ব্যাটার সেঞ্চুরি করেছেন। এদিন শ্রীলঙ্কার সাদিরা ও পাকিস্তানের রিজওয়ান এই কীর্তি গড়েছেন। সিরিজ বা অন্য টুর্নামেন্টে ওই কীর্তি হয়েছে আরও চারবার। ২০০৭ সালে ডি ভিলিয়ার্স ও টাতেন্ডা তাইবু, ২০১৭ সালে যুবরাজ ও মরগান, ২০২০ সালে শ্রেয়ার আয়ার ও রস টেইলার এবং ২০২২ স্যালে অ্যারন জোনস ও ম্যাকলয়েড ওই কীর্তি গড়েন।