শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

মধ্যপ্রাচ্যে সমাধানের রাস্তা বন্ধ করলেন বাইডেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ৩২৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

মধ্যপ্রাচ্যে সমাধানের রাস্তা বন্ধ করলেন বাইডেন

আল আহলি হাসপাতালের ধ্বংসস্তুপ থেকে একজনকে বের করে আনা হচ্ছে
আল আহলি হাসপাতালের ধ্বংসস্তুপ থেকে একজনকে বের করে আনা হচ্ছে

গাজার আল-আহলি হাসপাতাল ধ্বংস হওয়ার আগেই ইসরায়েলের প্রতি জো বাইডেনের পূর্ণ সমর্থনের মাধ্যমে লাখো আরব ও ফিলিস্তিনিরা এটাই বিশ্বাস করে যে আমেরিকা আসলে ইসরায়েলের শুধু সমর্থকের চেয়েও বেশি কিছু। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস গাজায় ইসরায়েল শিশুহত্যাসহ যা কিছু করছে, এসব কিছুর পেছনে আমেরিকাও দায়ী।

হামলার জন্য কে দায়ী তা নিয়ে তিক্ত মতবিরোধ অনেকের মনে কোন পরিবর্তন আনবে না। গত ১২ দিনের যুদ্ধ ঘৃণা ও বিভেদকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

আল-আহলিতে হামলার যে অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েল তা বিস্তারিত আকারে খণ্ডন করেছে। তারা এমন প্রমাণ হাজির করেছে, যেখানে বলা হচ্ছে ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের ছোঁড়া একটি মিসাইল ইসরায়েলের বদলে ভুল করে তাদের নিজেদের সীমানায় পড়েছে।

ফিলিস্তিনিদের জন্য আল আহলিতে হামলার পার্থক্যটা নীতিগত নয় বরং মাত্রাগত। হামাসের আকস্মিক হামলার জবাবে ইসরায়েল প্রতিদিনই অসংখ্য ফিলিস্তিনিকে হত্যা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মি. বাইডেনকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে হামাস প্রায় ১৪০০ ইসরায়েলিকে হত্যা করেছে, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।

অন্যদিকে, ইসরায়েলিরা ফিলিস্তিনিদের জীবনকে কতটা অসম্মান করে তার আরো একটি প্রমাণ হচ্ছে আল আহলি হাসপাতালে হামলা। ফিলিস্তিনিরা বিষয়টিকে এভাবেই দেখে।

হাসপাতালে হামলার খবরটি যখন প্রথম আসে তখন জো বাইডেনকে মধ্যপ্রাচ্যে উড়িয়ে নিয়ে আসার জন্য এয়ার ফোর্স ওয়ানের ইঞ্জিন গরম হচ্ছিল। কিন্তু সেটি উড়ার আগেই মি. বাইডেনের সফরসূচী এলোমেলো হয়ে গেল।

ইসরায়েলের প্রতি প্রেসিডেন্ট বাইডেন গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই তেল আবিব গিয়ে মি. নেতানিয়াহুর সাথে সাক্ষাৎ ও সমর্থন দেখানোটা তার কাছে স্বাভাবিকই মনে হয়েছে।

তবে তিনি আশা করছিলেন, তাড়াহুড়ো করে জর্ডানের রাজধানী আম্মানে একটা সম্মেলন আয়োজন করে তার এই সফরটাকে কিছুটা ভারসাম্যপূর্ণ করার।

মি. বাইডেনের পরিকল্পনা ছিল জর্ডানের রাজা, মিশরের প্রেসিডেন্ট এবং ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাত করা।

কিন্তু আল-আহলি হাসপাতালে বিস্ফোরণের পর জর্ডান সেটা বাতিল করে দিয়েছে। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস দ্রুত ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরে রামাল্লায় তার সদর দফতরে ফিরে যান।

সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর এবং জর্ডান প্রত্যেকে ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম