শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

নরওয়ের হ্রদের তলদেশে মিলল মধ্যযুগীয় জাহাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২২   |   প্রিন্ট   |   ১২৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

নরওয়ের হ্রদের তলদেশে মিলল মধ্যযুগীয় জাহাজ

নরওয়ের বৃহত্তম হ্রদের তলদেশে মধ্যযুগীয় একটি জাহাজের প্রায় অক্ষত কাঠামোর সন্ধান মিলেছে। একটি গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার সময় জাহাজটির অস্তিত্ব মেলে। গবেষকদের ধারণা, জাহাজটি ১৩০০ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যকার সময়ের হবে এবং এটি ডুবে গিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কেএসএল নিউজ এই খবর দিয়েছে।

হ্রদটির নাম মজোসা, আয়তন ১৪০ বর্গমাইল। গবেষকরা ‘মিশন মজোসা’ নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছিলেন। প্রকল্পের আওতায় নির্দিষ্ট এলাকায় হ্রদের তলদেশে উচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করে ম্যাপিং কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন তাঁরা। এ সময় হঠাৎ হ্রদের তলদেশে জাহাজের অবকাঠামোর আকৃতি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। গবেষকরা বলছেন, মজোসা লেকে জাহাজ চলাচলের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে, তা জাহাজটির আবিস্কারে আরও স্পষ্ট হয়েছে।

নরওয়েজিয়ান ডিফেন্স রিসার্চ এস্টাব্লিশমেন্টের সদস্যরা হ্রদের এমন একটি স্থান পরিদর্শন করছিলেন, যেখানে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র ডাম্প করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ডাম্প করা যুদ্ধাস্ত্রগুলো পানিতে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করেছে কিনা তা পরীক্ষা করছিলেন তাঁরা।

নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি অনুসারে, হ্রদটি নরওয়ের প্রায় ১ লাখ মানুষের খাবার পানির উৎস। এ কারণে পানি পরীক্ষা কার্যক্রম চলছিল।

নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির সামুদ্রিক প্রত্নতত্ত্বের একজন সিনিয়র গবেষক এবং মিশনপ্রধান ওইভিন্ড ওডেগার্ড বলেন, আমরা ভাবছিলাম ডাম্প করা অস্ত্রশস্ত্রের ম্যাপিং করার সময় হয়তো কোনো জাহাজের অবকাঠামোর অস্তিত্ব মিলতে পারে। ঠিক তা-ই ঘটেছে।

জাহাজের ধ্বংসাবশেষটি প্রায় ১৩৫০ ফুট গভীরতায় হ্রদের মাঝ বরাবর রয়েছে। জাহাটি ৩৩ ফুট লম্বা। লেকে তরঙ্গ না থাকায় মূল কাঠামো প্রায় অবিকৃত অবস্থায় রয়ে গেছে। লোহার পেরেকগুলোর ক্ষয় ছাড়া জাহাজটির তেমন কিছু হয়নি। হ্রদের তলদেশে জাহাজটির অবস্থান দেখে মনে হচ্ছে জাহাজটি বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছে। চারপাশের পানি একেবারে স্থির।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম