শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

জবরদস্তির নির্বাচন দেশকে আরও অন্ধকারে নিয়ে যাবে : গণতন্ত্র মঞ্চ

জাতীয় ডেস্ক   |   বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ১৪৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জবরদস্তির নির্বাচন দেশকে আরও অন্ধকারে নিয়ে যাবে : গণতন্ত্র মঞ্চ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সরকারের সাজানো, একতরফা এবং জোরজবরদস্তির নির্বাচন বলে মন্তব্য করে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতা বলেছেন, জবরদস্তি ও তামাশার এই নির্বাচন দেশকে আরও ভয়াবহ অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাবে।

বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) ‘একতরফা ভোট বর্জন করুন’— এ আহ্বান জানিয়ে গণসংযোগের আগে পথ সমাবেশে তারা এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে পথ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন ও নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার।

বক্তারা বলেন, সরকার এমন একটি নির্বাচন করছে, যেখানে সরকার কে হবে তা কেউ জিজ্ঞাসা করে না। সব দিক থেকে শুধু প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসা উঠেছে যে, বিরোধী দল কে হবে? এই তামাশায় মানুষ আসবে না। যে সরকার ভোটের ওপর দাঁড়িয়ে নেই, তাদের সহযোগিতা করার কোনো দায় বাংলাদেশের মানুষের নেই। ৭ জানুয়ারির এই তামাশার ভোট বর্জন করে মানুষ তাদের সমুচিত জবাব দেবে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, সব বিরোধী মতকে উপেক্ষা করে সরকার তাদের ভাগবাটোয়ারার নির্বাচন আয়োজন করছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় যদি জনগণের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব না থাকে, তাহলে সেই সরকারকে সহযোগিতা করার দরকার নেই। সরকার তাদের নির্বাচন নামক খেলায় অংশ নিতে বাধ্য করতে বিভিন্ন অঞ্চলে ভিজিএফ কার্ড, বয়স্ক ভাতা ও দুস্থ ভাতা কার্ড জমা নিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করছে। দেশের ৮০-৮৫ শতাংশ মানুষ এই তামাশার নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় কারওয়ান বাজার পেট্রোবাংলার সামনে সমাবেশ ও গণসংযোগ শেষে মিছিল করা হবে বলেও জানায় গণতন্ত্র মঞ্চ।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম