ডেস্ক রিপোর্ট | বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৪১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব এলদেন্সের মালিকানা নিতে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। এ বিষয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তি হয়েছে বলে ইএসপিএনকে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।
এলদেন্সের বর্তমান মালিক কলম্বিয়ার বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গ্রুপো টিএইচ। কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডেও একাধিক ক্লাবের মালিকানা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
তবে মেসির কাছে এলদেন্সের মালিকানা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি। চুক্তি সম্পন্ন করতে যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের পাশাপাশি স্পেনের ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিলের (সিএসডি) অনুমোদন প্রয়োজন।
চুক্তি চূড়ান্ত হলে স্পেনে মেসির মালিকানাধীন দ্বিতীয় ক্লাব হবে এলদেন্স। চলতি বছরের শুরুতে পঞ্চম বিভাগের ক্লাব কর্নেইয়ার মালিকানা নিয়েছিলেন তিনি। বার্সেলোনা শহরভিত্তিক ক্লাবটির মালিকানা তখন আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়।
তবে কর্নেইয়া এখনো আধা-পেশাদার পর্যায়ে রয়েছে। সে হিসেবে এলদেন্স হবে স্পেনে মেসির প্রথম পেশাদার ফুটবল ক্লাবে বিনিয়োগ।
স্পেনের বাইরেও ক্লাব মালিকানায় মেসির আগ্রহ রয়েছে। ইন্টার মায়ামিতে তার সতীর্থ লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে উরুগুয়ের ক্লাব দেপোর্তিভো এলএসএমের আংশিক মালিকানাও রয়েছে তার।
বর্তমানে এলদেন্স ও কর্নেইয়া তিন ধাপ ব্যবধানে ভিন্ন লিগে খেলছে। ফলে মেসির দুই ক্লাবের মালিকানা নিয়ে আপাতত বড় কোনো জটিলতা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে ভবিষ্যতে দুই ক্লাব একই লিগে উঠে এলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।
বিশেষ করে মেসি যদি দুই ক্লাবেরই সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারের মালিক হন, তাহলে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের (আরএফইএফ) নিয়ম অনুযায়ী একই লিগে দুই ক্লাবের খেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এলদেন্স তাদের ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় স্পেনের শীর্ষ দুই বিভাগের বাইরে কাটিয়েছে। ১৯৬৪ সালের পর প্রথমবার ২০২৩ সালে দ্বিতীয় বিভাগে ওঠে ক্লাবটি। ২০২৫ সালে অবনমিত হলেও এবারের গ্রীষ্মে আবার দ্বিতীয় বিভাগে ফিরেছে তারা।
তবে নতুন মৌসুমের শুরুটা ভালো হয়নি এলদেন্সের। চার ম্যাচের কোনোটিতেই জয় পায়নি ক্লাবটি। টানা ব্যর্থতার জেরে সপ্তাহের শুরুতেই কোচ ক্লদিও বারাগানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমানে কোনো প্রধান কোচ ছাড়াই রয়েছে দলটি।
এলদা শহরের নুয়েভো পেপিকো আমাত স্টেডিয়ামে নিজেদের ঘরের ম্যাচ খেলে এলদেন্স। মাত্র ৫ হাজার ৭৭৬ দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামটিও তুলনামূলকভাবে ছোট।
মেসির সম্ভাব্য এই বিনিয়োগ তাই শুধু ক্লাবটির মালিকানা বদল নয়, স্প্যানিশ ফুটবলে তার ব্যবসায়িক প্রভাব আরও বিস্তারেরও ইঙ্গিত দিচ্ছে।