ডেস্ক রিপোর্ট | শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
লুয়ান-দ্রে প্রিটোরিয়াসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও কনর এস্টারহুইজেনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ২২৮ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে পাল্টা আক্রমণে ২১৭ রান তুলে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল নামিবিয়া। শেষ পর্যন্ত ১১ রানে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে স্বাগতিকদের।
নামিবিয়া ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার। মাত্র ৭০ বলে প্রথম উইকেটে ১৫৬ রান যোগ করেন প্রিটোরিয়াস ও এস্টারহুইজেন।
এস্টারহুইজেন ৪০ বলে ৮৮ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। ৬টি চার ও ৮টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে তার স্ট্রাইক রেট ছিল ২২০। অন্যদিকে প্রিটোরিয়াস ৫৩ বলে ১০১ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৫টি চার ও ৮টি ছক্কা।
১১.৩ ওভারে ১৫৬ রানে এস্টারহুইজেনকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন জান বাল্ট। এরপর ১৩.১ ওভারে মাত্র ৩ রান করে তার দ্বিতীয় শিকার হন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস।
রুবিন হারম্যানের ২১ বলে ২৬ রান এবং শেষদিকে এথান বশ ও জর্ডান হারম্যানের ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২২৮ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। নামিবিয়ার হয়ে বাল্ট ২টি এবং জেরহার্ড এরাসমাস ও রুবেন ট্রাম্পেলম্যান একটি করে উইকেট নেন।
জবাবে ২২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে নামিবিয়া। লরেন স্টেইনক্যাম্প ও জান ফ্রাইলিঙ্কের উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৬.১ ওভারেই ৬৭ রান আসে। প্রথম উইকেটে তারা যোগ করেন ১১৯ রান।
ফ্রাইলিঙ্ক মাত্র ২৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৩৬ বলে ৭২ রান করে আউট হন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৫টি ছক্কা।
স্টেইনক্যাম্পও তুলে নেন ঝোড়ো ফিফটি। ৩৭ বলে পঞ্চাশ পূর্ণ করা এই ব্যাটার ৪৪ বলে ৬১ রান করেন। ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংস শেষ হয় চোটের কারণে।
এরপর অধিনায়ক জেরহার্ড এরাসমাসের অপরাজিত ৩০ রান এবং রুবেন ট্রাম্পেলম্যানের ১০ বলে ২১ রানে জয়ের আশা জিইয়ে রাখে নামিবিয়া। ১৮.৪ ওভারে ২০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যায় তারা।
তবে শেষদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা চাপ ধরে রাখেন। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২১৭ রানেই থামে নামিবিয়ার ইনিংস।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে নকোবানি মোকোয়েনা ২টি এবং আন্দিলে সিমেলান একটি উইকেট নেন।
এই জয়ের ফলে সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা।