শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us
দলীয় কোন্দলই নেপথ্য কারণ

জাকিরের অভিযোগে টুটুল গ্রেফতার ও থানায় সমঝোতা

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪০৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জাকিরের অভিযোগে টুটুল গ্রেফতার ও থানায় সমঝোতা

নিজ দলের কোন্দলে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ২ নেতার কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি থানা হাজতে গড়ালো। এক নেতাকে গ্রেফতার করে নিয়ে গেল ব্রুকলিনস্থ ৭৫ প্রিসিংক্টের পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাবেক সভাপতি ও রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ী জাকির এইচ চৌধুরী এবং বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য ও নোয়াখালি জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি নাঈম টুটুল। এ দুজনই বাংলাদেশি কমিউনিটিতে সু পরিচিত। সামাজিক কর্মকান্ডে উভয়েরই সুখ্যাতি রয়েছে। জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে উভয়েরই অবদান অনস্বীকার্য। বৃহস্পতিবার ২৩ জুন হাতাহাতির ঘটনায় নাঈম টুটুলকে পুলিশ গ্রেফতার করে জাকির এইচ চৌধুরীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে। সাথে সাথে কমিউনিটিতে মারাত্মক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। থানায় ছুটে যান কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ। অনেকে দেখা করেন জাকির এইচ চৌধুরীর সাথে। সমঝোতার উদ্যোগ নেয়া হয়। জাকির সমঝোতায় রাজি হন। নেতৃবৃন্দ সহ যান থানায়। অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেবার আবেদন জানানো হয়। কিন্তু আইনী জটিলতায় রাতে টুটুল ছাড়া পাননি। আজ শুক্রবার তাকে ছেড়ে দেয়া হতে পারে। এ সময় থানায় ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম , নোয়াখালী সোসাইটির সভাপতি জাহিদ মিন্টু, সাধারন সম্পাদক এস এম উদ্দীন পিন্টু, টুটুলের ভাই নওশেদ চৌধুরী, ভগ্নিপতি শাহাবুদ্দিন চৌধুরী, মির্জা মোহাম্মদ হোসেন ও রাসেল মিয়া। উল্লেখ্য জাকির ও টুটুল উভয়েই নোয়াখালীর সন্তান।

 

জাকির চৌধুরী প্রতিবেদককে বলেন, আমি বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যবসায়িক বন্ধু মির্জা হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ওজোন পার্কের একটি সড়ক দিয়ে হেঁটে অফিসে যাচ্ছিলাম। এ সময় নাঈম টুটুল তার সামনে এসে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে শারীরিকভাবে হামলা চালায় ও গালিগালাজ করে।আমার চশমা ভেংগে যায়। ৯১১ কল করলে পুলিশ এস তাকে আটক করে। থানায় গিয়ে কমিউনিটির স্বার্থে অভিযোগ প্রত্যহারের আবেদন জানিয়েছি।

 

একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, গেল সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশের পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানিকে সবংর্ধনা দেয়া নিয়ে এই ২ নেতার মতবিরোধ চলছিল। যার পরিনতিতেই এই অনাকাংখিত ঘটনা। অনেকে বলেছেন, নাঈম টুটুলকে সভাপতিত্ব করতে দেননি জাকির চৌধুরী। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন টুটুল। সেই ক্ষোভের জের ধরেই বৃহস্পতিবারের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

 

বাংলাদেশ সোসাইটর সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম প্রতিবেদককে বলেন, জাকির ও টুটুল উভয়েই কমিউনিটির সন্মানিত ব্যক্তিত্ব। উভয়েই আমার সেন্হভাজন। ঘটনার খবর জানার পরপরই থানায় যাই। জাকিরের সাথেও কথা বলেছি। সমঝোতা হয়ে গেছে। কমিউনিটিতে আমরা একসাথেই কাজ করবো। ভুল বোঝাবুঝি থাকা উচিত নয়।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম