ডেস্ক রিপোর্ট | শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৪৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ইরান ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের শিগগির অবসান হতে পারে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ভাষ্য, আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়ের মধ্য দিয়ে সংঘাত দুটির অবসান ঘটতে পারে।
শুক্রবার নিউইয়র্কের সিরাকিউজে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, দুই যুদ্ধের সমাধানের প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। তবে কবে নাগাদ এবং কী শর্তে এসব সংঘাতের অবসান হতে পারে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি তিনি।
ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি
ইরান যুদ্ধের অবসান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘যেকোনোভাবেই হোক, খুব দ্রুত এর সমাধান হবে।’
তেহরানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সবকিছু মেনে নিতে হবে, অন্যথায় দেশটির অস্তিত্ব থাকবে না।
তবে ‘সবকিছু’ বলতে ইরানকে ঠিক কী কী শর্ত মেনে নিতে হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। একইভাবে যুদ্ধ বন্ধে সম্ভাব্য কোনো চুক্তি বা নির্দিষ্ট সময়সীমার কথাও উল্লেখ করেননি তিনি।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান নিয়েও আশাবাদ
ইরানের পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ট্রাম্প। তার দাবি, সংঘাত দুটির নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।
ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা হোক কিংবা সামরিক বিজয়ের মধ্য দিয়ে—দুই যুদ্ধেরই অবসান ঘটাতে চান তিনি।
তবে তার এই আশাবাদের পরও যুদ্ধ দুটি বন্ধে চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা হয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে সংঘাতগুলোর অবসান কবে এবং কীভাবে হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।
নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ
সিরাকিউজের সমাবেশে নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়া নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন ট্রাম্প। ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজ্ঞ ও সাবেক জাতিসংঘ মানবাধিকারপ্রধান নাভি পিল্লাইকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন তিনি।
ট্রাম্পের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে এই পুরস্কার তারই পাওয়া উচিত ছিল। আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনে নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যুদ্ধের অবসান ঘটানোর ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
তবে ইরান ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যের পরও সংঘাত দুটি অবসানের নির্দিষ্ট সময়সীমা কিংবা সম্ভাব্য সমঝোতার শর্ত স্পষ্ট হয়নি।
সূত্র: আল-জাজিরা