শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

চীনা এআই নিয়ে মার্কিন অভিযোগ ‘মিথ্যা’, পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি বেইজিংয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

চীনা এআই নিয়ে মার্কিন অভিযোগ ‘মিথ্যা’, পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি বেইজিংয়ের

মার্কিন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল থেকে তথ্য ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ ও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে চীন।

একই সঙ্গে চীনকে কলঙ্কিত করার প্রচেষ্টা বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং। এ ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের প্রযুক্তি খাতে বৈরিতা আরও বাড়াবে বলেও সতর্ক করেছে চীন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এসব কথা বলেন।

মাও নিং বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আত্মনির্ভরতাই চীনের এআই উন্নয়নের মূল ভিত্তি। তবে এর পাশাপাশি বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা, যৌথ অবদান ও পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে বেইজিং।

চীনা এই মুখপাত্র বলেন, বিশ্বজুড়ে এআই প্রযুক্তির উন্নয়ন উন্মুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়া উচিত। এর সুফল যেন পুরো মানবজাতি পায়, তা নিশ্চিত করাও জরুরি।

মার্কিন ও চীনা নেতাদের মধ্যে অতীতে হওয়া বিভিন্ন সমঝোতার প্রসঙ্গ তুলে ওয়াশিংটনকে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও চীনকে কলঙ্কিত করার প্রচেষ্টা বন্ধের আহ্বান জানান মাও নিং। তার মতে, দুই প্রযুক্তি পরাশক্তির মধ্যে বৈরিতা বাড়ানোর বদলে এআই খাতে সহযোগিতা জোরদার করা উচিত।

চীনা কোম্পানির বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযোগ

এর আগে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএসএ, এনএসএ ও এফবিআই যৌথভাবে একটি সাইবার নিরাপত্তা পরামর্শপত্র প্রকাশ করে।

এতে অভিযোগ করা হয়, চীনভিত্তিক কয়েকটি এআই কোম্পানি শিল্পপর্যায়ে ‘নলেজ ডিস্টিলেশন’ পদ্ধতি ব্যবহার করে মার্কিন শীর্ষস্থানীয় এআই মডেলগুলোর সক্ষমতা আহরণ করছে।

মার্কিন প্রতিবেদনে ডিপসিক, মুনশট এআই, আলিবাবা, মিনিম্যাক্স, স্টেপফান ও জেডডটএআইয়ের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২০২৪ সালের শেষভাগ থেকে সম্ভবত চীনা সরকারের পরোক্ষ সমর্থন বা মদদে এসব কোম্পানি ক্লড, জিপিটি, জেমিনি ও গ্রোকের মতো মার্কিন এআই মডেল ব্যবহার করেছে।

এসব মডেলের সঙ্গে লাখ লাখ আলাপচারিতার মাধ্যমে শত শত কোটি ‘টোকেন’ সংগ্রহ করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে মার্কিন সংস্থাগুলো। এআইয়ের ভাষা ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষুদ্রতম একককে টোকেন বলা হয়।

‘একচেটিয়া আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা’

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করেছে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বেইজিংয়ে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা অভিযোগ করে, এআই শিল্পে একচেটিয়া আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই চীনা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

চীনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে, এআইকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনা এআই কোম্পানিগুলোকে দমনের পথ বেছে নেয়, তাহলে বেইজিংও পাল্টা কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, এপি

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম