শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

রাশিয়া-চীনকে মোকাবিলায় নতুন পারমাণবিক কৌশল নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বদলাচ্ছে পেন্টাগনের যুদ্ধনীতি

ডেস্ক রিপোর্ট   |   বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

রাশিয়া-চীনকে মোকাবিলায় নতুন পারমাণবিক কৌশল নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বদলাচ্ছে পেন্টাগনের যুদ্ধনীতি

প্রতিকী ছবি

রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কায় নতুন পারমাণবিক কৌশল প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন)। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এই গোপনীয় পর্যালোচনার লক্ষ্য হলো প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আরও বিস্তৃত, বাস্তবসম্মত ও নির্ভরযোগ্য পারমাণবিক বিকল্প প্রদান করা এবং বৈশ্বিক প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক প্রধান এলব্রিজ কোলবির তত্ত্বাবধানে প্রস্তাবিত নতুন কৌশলে দূরপাল্লার কৌশলগত (স্ট্র্যাটেজিক) পারমাণবিক অস্ত্রের ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে স্বল্পপাল্লার ট্যাকটিক্যাল পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহারে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে রাশিয়া বা চীনের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর সম্ভাব্য আঞ্চলিক হামলার জবাব দেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোই এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য।

এই উদ্যোগ সামনে এলো যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক নিউ স্টার্ট পারমাণবিক চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস পর। ২০১০ সালে স্বাক্ষরিত এবং ২০২১ সালে নবায়ন করা এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় দেশের মোতায়েনকৃত পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ওপর নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা হয়েছিল। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে চুক্তিটির কার্যকারিতা শেষ হলেও রাশিয়া জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র আগ বাড়িয়ে পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি না করলে তারাও উত্তেজনা বাড়াবে না।

এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আরও এক বছরের জন্য চুক্তির শর্ত মেনে চলার প্রস্তাব দিলেও যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় চীনকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানায়। তবে প্রায় ৬০০ পারমাণবিক ওয়ারহেডের অধিকারী চীন এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে জানায়, বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক অস্ত্রাগারের মালিক দেশগুলোরই নিরস্ত্রীকরণে প্রধান ভূমিকা নেওয়া উচিত। জবাবে রাশিয়া ন্যাটোভুক্ত পারমাণবিক শক্তিধর দেশ ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকেও ভবিষ্যৎ চুক্তির আওতায় আনার দাবি তোলে।

অন্যদিকে, রাশিয়াও সম্প্রতি তাদের পারমাণবিক নীতিতে পরিবর্তন এনে সতর্ক করেছে যে, কোনো অ-পারমাণবিক দেশ যদি কোনো পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্রের সহায়তায় হামলা চালায়, তবে সেটিকে যৌথ আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। প্রয়োজনে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের অধিকার সংরক্ষিত থাকবে বলেও মস্কো জানিয়েছে।

সূত্র: আরটি

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম