ডেস্ক রিপোর্ট | মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার, দ্রুত ই-ভিসা চালু এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে থাইল্যান্ডের ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দালালচক্রের কারণে সৃষ্ট সমস্যা নিরসনে বাংলাদেশ সরকার ও থাইল্যান্ডের চলমান উদ্যোগ নিয়েও মতবিনিময় হয়। পাশাপাশি দ্রুত ই-ভিসা ব্যবস্থা চালু এবং স্বল্প সময়ে ভিসা প্রদানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
শিক্ষা খাতে বাংলাদেশের বিভিন্ন পরিকল্পনাও বৈঠকে তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে আনন্দময় শিক্ষণ, পাঠ্যক্রমে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্তি, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
এ ছাড়া, ২০২৭ সালে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে যৌথ উদ্যোগ ও উদযাপন নিয়েও উভয় পক্ষ উষ্ণ মতবিনিময় করে।
প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি পর্যটক থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেন উল্লেখ করে পর্যটকদের নিরাপত্তা, সেবার মানোন্নয়ন এবং ভ্রমণ আরও সহজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশি রোগীদের জন্য চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও কার্যকর করতে থাইল্যান্ড ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে।
বৈঠকে শ্রমবাজার ও কর্মী অভিবাসনের বিষয়ও গুরুত্ব পায়। থাইল্যান্ডে বৈধ শ্রম অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং এ ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে রাষ্ট্রদূত জানান।
বৈঠকে রয়্যাল থাই দূতাবাসের কাউন্সেলর মোরাকোট উইরাওংফ্রম উপস্থিত ছিলেন।