ডেস্ক রিপোর্ট | রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ২৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সরকার।
রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
বৈঠকে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। এই চাহিদা পূরণে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানিতে বাংলাদেশ আগ্রহী।
জবাবে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। তিনি পাইপলাইনের পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের সম্ভাবনাও আলোচনায় তুলে ধরেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশও ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে।
বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত মিয়ানমারের গ্যাস পাইপলাইন স্থাপনের পুরোনো প্রস্তাব পুনরায় আলোচনায় আনার আগ্রহ প্রকাশ করেন জ্বালানিমন্ত্রী। পাশাপাশি জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এগিয়ে নিতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেরও প্রস্তাব দেন তিনি।
এ সময় মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানোর কথা উল্লেখ করেন ইকবাল হাসান মাহমুদ। প্রয়োজনে নিজেও মিয়ানমার সফরে যেতে আগ্রহী বলে জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরের প্রসঙ্গ টেনে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোর বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের করিডোরের অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে গ্যাস পাইপলাইন স্থাপন হলে তা আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ কারিগরি কমিটির বৈঠকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা যেতে পারে।
সাক্ষাৎকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ উপস্থিত ছিলেন।