শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

‘অনেক হয়েছে’: ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ কংগ্রেসের আইনপ্রণেতারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

‘অনেক হয়েছে’: ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ কংগ্রেসের আইনপ্রণেতারা

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে একটি নোটিশ পাঠিয়ে আবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর কথা জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যা আইনপ্রণেতাদের দ্বারা সমালোচনার মুখে পড়েছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প যাতে ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য গত মাসে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট- উভয় কক্ষেই ‘ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট’ বা যুদ্ধ ক্ষমতা আইন প্রস্তাব পাস হয়। এখন নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ায় কংগ্রেসে ‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজোলিউশন’ বা যুদ্ধ ক্ষমতা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যাডাম শিফ।

এই প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছেন ভার্জিনিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইন, নিউ জার্সির অ্যান্ডি কিম, ওরেগনের জেফ বার্কলি এবং ম্যারিল্যান্ডের ক্রিস ভ্যান হোলেন।

হরমুজ প্রণালিতে ফের নৌ-অবরোধের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে অ্যাডাম শিফ বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এরপর ইরানের সঙ্গে বাজে চুক্তি, নৌ-অবরোধ করে নতুন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়েছে। এটি এখন জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়িয়ে দেবে।

অ্যাডাম শিফ বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া আরও ৬০ দিন সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করছে ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে এর কোনো ভিত্তি নেই। এই যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে নতুন করে ভোটের আয়োজন করা প্রয়োজন।

পুনরায় সংঘাত শুরু করায় ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনায় সরব হয়েছেন সিনেটের মাইনোরিটি লিডার চাক শুমার। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের তথাকথিত ‘সমঝোতা’ কলমের কালি শুকানোর আগেই ভেস্তে গেছে। সশস্ত্র বাহিনী যাতে নতুন করে বিপদে না পড়ে সেজন্য প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ট্রাম্পকে অবশ্যই তা মেনে চলতে হবে।

চাক শুমার বলেন, ‘অনেক হয়েছে, আর নয়। এবার যুদ্ধ বন্ধ করুন।’

জীবনযাত্রার ব্যয় ও যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান খরচের বিষয়টি সামনে এনে শুমার বলেন, ‘আমরা কেবলই পিছিয়ে যাচ্ছি। গ্যাসের দাম চড়া, হতাহতের সংখ্যা আর খরচ বাড়ছে। এই যুদ্ধটা যে কত বড় ব্যর্থতা, তা ভাবাই যায় না।’

কানেকটিকাটের ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফিও যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আসল কথা হলো, ট্রাম্পের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। তাঁর অযোগ্যতা আমেরিকাকে কোণঠাসা পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে। সামনের পরিস্থিতি আরও খারপ হতে যাচ্ছে।’

মারফির মতে, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে হত্যা করাটা ছিল মস্ত বড় ভুল। কারণ এরপর আরও বেশি কট্টরপন্থীরা খামেনির স্থলাভিষিক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

নিউ মেক্সিকোর ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি তেরেসা লেজার ফার্নান্দেজও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আইনকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য ট্রাম্প কাগজে-কলমে একটি যুদ্ধ শেষ করতে পারেন না। আবার নিজের সুবিধামতো সময়ে তা শুরুও করতে পারেন না। তাঁর মিথ্যা বলা ও যুদ্ধ এবার বন্ধ হোক।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম