শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

জার্মানির বিদায়ের পর তোপের মুখে চ্যান্সেলর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জার্মানির বিদায়ের পর তোপের মুখে চ্যান্সেলর

‘বিশ্বকাপে আপনারা দেশকে রোমাঞ্চিত করেছেন’। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে এ কথা লিখেছিলেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস। কিন্তু এর প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তিনি হয়তো তা আন্দাজ করতে পারেননি। দলের বিদায়ে সমর্থক ও গণমাধ্যমগুলো এখন ক্ষোভ দেখাচ্ছে চ্যান্সেলরের ওপর।

প্যারাগুয়ের বিপক্ষে জশুয়া কিমিচদের হারের পরও ম্যার্ৎস এক্সে লিখেন, ‘টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়াটা কষ্টের। কিন্তু ম্যাচটা দারুণ হয়েছে। এই বিশ্বকাপে আপনাদের নিবেদন ও দলীয় সংহতি আমাদের দেশকে রোমাঞ্চিত করেছে। আমরা আপনাদের জন্য গর্বিত।’

ম্যার্ৎসের ওই পোস্টের অল্প সময়ের মধ্যে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। ইনস্টাগ্রামে চ্যান্সেলরের একই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে কৌতুক অভিনেতা অলিভার পোখার লিখেন, ‘কেউ বিন্দুমাত্র রোমাঞ্চিত হয়নি। জার্মানি নিজেদেরই লজ্জার মুখে ফেলেছে। তাদের পারফরম্যান্স বিপর্যয়কর।’

অলিভার আরও লিখেন, একজন চ্যান্সেলর যদি মাঝরাতে এমন ভুল বিশ্লেষণ করেন, তাহলে তিনি অন্যান্য জাতীয় ইস্যুতে কেমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন- এটি খুবই চিন্তার বিষয়।

কাই হাভার্টজদের বিদায়ে গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনেও স্পষ্ট হতাশা ফুটে উঠেছে। স্প্যানিশ গণমাধ্যম মার্কার একটি উদ্ধৃতি দিয়ে জার্মান দৈনিক ভেল্ট লিখেছে, ‘জার্মানি আর আগের সেই জার্মানি নেই।’ আরেক জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড ‘বিল্ড’ চ্যান্সেলরের এক্স পোস্ট নিয়ে লিখেছে, এমন বক্তব্য অন্তঃসারশূন্য। পোস্টটি দিয়ে ম্যার্ৎস নিজেকে হাসির পাত্রে পরিণত করেছেন।

সমর্থকদের মনোবেদনা কিছুটা হলেও আঁচ করতে পেরেছেন অধিনায়ক কিমিচ। হারের পর তিনি বলেছেন, ‘ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছি- জার্মানি সবসময় সেমিফাইনাল বা ফাইনালে খেলত। আমরা বর্তমান প্রজন্মকেও সেই আনন্দ উপহার দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটি পারিনি।’

জশুয়া কিমিচ বলেন, ‘এমন একটা সময়ে আমরা ব্যর্থ হয়েছি, যখন জার্মানদের গর্ব করার মতো উপলক্ষ্য পাওয়াটা খুবই প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যবশত জাতীয় দল সেই গর্বের জায়গা হতে পারল না। এর দায় আমাদের সবার।’

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম