ডেস্ক রিপোর্ট | রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে ‘অননুমোদিত পথে’ চলাচলের চেষ্টার সময় মাইনের আঘাতে দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লাগার দাবি করেছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী।
স্থানীয় সময় শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কেশম দ্বীপ, জাস্ক, সিরিক ও বন্দর আব্বাস শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তবে এসব এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেনি ইরানি কর্তৃপক্ষ।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক তৎপরতার সঙ্গে বিস্ফোরণগুলোর সম্পর্ক থাকতে পারে। তবে বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের এক সূত্র জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্পর্ক নেই।
এদিকে রবিবার (৮ নভেম্বর) ভোরে আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালির ‘অননুমোদিত পথে’ চলাচলের চেষ্টা করায় দুটি তেলবাহী ট্যাংকার মাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেগুলোতে আগুন ধরে যায়। তবে এ ঘটনার সঙ্গে আগের দিনের বিস্ফোরণের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
এর আগে শনিবার তাসনিম জানিয়েছিল, কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তবে এতে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
কয়েক দিন আগেই কেশম দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এক মার্কিন কর্মকর্তা ওই হামলাকে সীমিত পরিসরের বলে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য, বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়নি।
অন্যদিকে, শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানায়, অবরোধ ভেঙে যাওয়ার চেষ্টা করা একটি বাণিজ্যিক জাহাজকে অচল করে দিয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, জাহাজটি অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টা করলে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে সেটির পেছনের অংশে হামলা চালানো হয়। এতে জাহাজটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।
সূত্র: রয়টার্স