শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

অস্ত্রের ঘাটতি মেটাতে ২৪.৪ বিলিয়ন ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের

ডেস্ক রিপোর্ট   |   শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

অস্ত্রের ঘাটতি মেটাতে ২৪.৪ বিলিয়ন ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সামরিক অস্ত্রের ঘাটতি পূরণ ও মজুত বাড়াতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য ‘স্ট্যান্ডার্ড মিসাইল-৬’ (এসএম-৬) ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ২৪.৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে পেন্টাগন।

পাঁচ বছর মেয়াদি এ চুক্তির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান আরটিএক্স-এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান রেথিয়নকে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ এক বিবৃতিতে চুক্তিটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রাথমিক পাঁচ বছরের মেয়াদের পাশাপাশি আরও দুই বছর সময় বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। আক্রমণাত্মক হামলা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিরোধ—উভয় মিশনে এসএম-৬-এর নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করাই এ চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য।

বিশ্বের বিভিন্ন সামরিক সংঘাতের কারণে অস্ত্রের চাহিদা বাড়ায় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে মার্কিন অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ রয়েছে। নতুন এ চুক্তিকে সেই উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চলতি বছর এএমআরএএএম (AMRAAM) ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাব্য বহুবছর মেয়াদি চুক্তি এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর চুক্তির পর এটি পেন্টাগনের অন্যতম বড় সামরিক চুক্তি।

তবে শিল্প খাতের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব চুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট বা তহবিল এখনো মার্কিন কংগ্রেস অনুমোদন করেনি। ফলে আইনপ্রণেতারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনায় সাময়িক বিলম্ব হতে পারে।

অন্যদিকে, আরটিএক্স জানিয়েছে, তারা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চাহিদা মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে কর্মী বাহিনী সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে সরবরাহ চেইনের অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করতে বিপুল পরিমাণ নিজস্ব অর্থ বিনিয়োগ করেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম