নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৩৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় এমপি মনজুরুল ইসলাম (দিনাজপুর—১) বললেন, পাটোয়ারির ওপর মার শুরু হয়েছে কেবল। আসল মারতো শুরই হয়নি। একজন এমপি হিসেবেই বলছি—ভবিষ্যৎ অনেক কঠিন তার জন্য। কারণ, সে শুধু প্রধানমন্ত্রীই নয়, তার স্ত্রী ও কণ্যাকে নিয়ে যখন জঘন্য কথা বলছেন তখন আমরা সহ্য করতে পারি না। এটাকে তো ফ্রিডম অব স্পিস বলে না। নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট আয়োজিত জুলাই—আগস্ট গণ অভ্যুত্থান দিবসের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন অনুষ্ঠানে শুক্রবার ৭ আগস্ট সন্ধ্যায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছিলেন কনসাল জেনারেল মোজাম্মেল হক পিটার। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘস্থ বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহ উদ্দীন নোমান চৌধুরী, ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস সেক্রেটারি গোলাম মর্তুজা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট , গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান জিল্লু , আব্দুস সবুর, মোশাররফ হোসেন সবুজ ও এটর্নি মঈন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে অধিকাংশ অতিথিই ছিলেন বিএনপির নেতকর্মি। যেন বিএনপির সমাবেশ।
![]()
c![]()
জুলাই উদযাপন অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই বিপ্লব নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি দেখানো হয়। এ সময় নূর হোসেন নামক একজন বাংলাদেশি বলেন, এতে ইতিহাসের বিকৃতি করা হয়েছে। ভিডিওতে বলা হচ্ছে, বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব। অথচ বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই বলেছিলেন, ছাত্রদের আন্দোলনের ফসল ফ্যাসিবাদের পতন। আমরা আন্দোলন করি নাই। ডকুমেন্টারিতে ইতিহাসের বিকৃতি করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মিরা তার উপর মারমুখি হয়ে ওঠেন। গিয়াস আহমেদ বলেন, এই ব্যক্তি ফ্যাসিস্ট এর দালাল। গুপ্ত। আমরা প্রবাসে ৪০ বছর আন্দোলন করেছি। তাকে কখনো দেখি নাই। সে কি করে এই অনুষ্ঠানে এলো। সভাস্থলে বিশৃংখলা দেখা দিলে এটর্নি মঈন চৌধুরী মাইক নিয়ে বলেন, এটি সরকারি অফিস। এখানে বিশৃংখলা করবেন না। নূর হোসেনকে আলোচনা সভার হল রুম থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন বিএনপির কর্মিরা। সিকিউরিটি তাকে আর হল রুমে প্রবেশ করতে দেয়নি। এরপর আবার আলোচনা শুরু হয়। তবে প্রতিবেদক খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হয়েছেন, দেশে থাকাকালে শিবিরের সাথে জড়িত ছিলেন নূর হোসেন। তবে নিউইয়র্কের জামাত সর্মথিত নেতা কর্মিরা তাকে চেনেন না।
![]()
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে মনজুরুল ইসলাম এমপি আরও বলেন, দেশ পরিচালনায় তারেক রহমান যে ধৈর্যে্যর পরিচয় দিচ্ছেন তা বিশ্বাস করা কঠিন। আমরা অনেক কিছু সহ্য করতে পারি না। কিন্তু উনি সহ্য করছেন। উনার সম্পর্কে যে সব বাজে ভাষা এই পাটোয়ারি ও তুষাররা বলছে তা সহ্যের নয়। সত্যি কথা বলতে কি পাটোয়ারির ওপর মার শুরু হয়েছে কেবল। আসল মারতো শুরই হয়নি। তিন আরও বলেন, কেবল ৫ মাসের সরকার। ৫ বছর তারেক রহমানকে দেশ সেবা করতে দিন। এরপর জনগন চাইলে বিরোধী দল ক্ষমতায় আসবে। অধৈর্য্য হবার কিছু নাই।