নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৭০ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
রোববার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন। এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়।
জেলা পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটকদের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে, ১০ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
অভিযানে হাতিয়া থানায় সর্বোচ্চ ৪৯ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এবং ছয়জনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
বেগমগঞ্জ মডেল থানায় আটক ৩২ জনের মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৮ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১৮ জনের মধ্যে ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি ১২ জনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
এ ছাড়া কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১৭ জন, কবিরহাট থানায় ৯ জন, চাটখিল থানায় ৬ জন, সুধারাম মডেল থানায় ৪ জন, সেনবাগ থানায় ৩ জন এবং চরজব্বার থানায় ৩২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও জানান, কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক এবং সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।