নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৪০ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে জয়লাভ করেছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দল রিপাবলিক্যান পার্টির শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠাতা। সিনেট ৫৫টি ও হাউজে ২৫৫টি আসন পচ্ছে তারা। নির্বাচনের ফলাফলকে রাজনীতিকরা ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের প্রতি অনস্থা হিসেবেই দেখছে। তা’হলে কি ট্রাম্প ইমপিচমেন্টের মুখোমুখি হবেন? এমন প্রশ্নটি নির্বাচনের পরপরই আলোচনায় এসেছে। ট্রাম্প অবশ্য নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেস মেজোরিটি পেলে আমাকে ইমপিচমিন্ট করবে। ট্রাম্পের ধারনাই কি ঠিক হবে? ২০১৬ সালে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ২ বার ইমপিচমেন্টের মুখোমখি হয়েছিলেন। কিন্তু সিনেটে পর্যাপ্ত ভোটের অভাবে ডেমোক্র্যাটরা তাকে কনভিক্ট বা প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরাতে পারেনি।
সংবিধান অনুসারে, প্রেসিডেন্টকে ইমপিচ করতে হলে উভয় কক্ষে তা পাশ হতে হবে। প্রতিনিধি পরিষদ সিম্পল মেজোরিটির বলেই প্রেসিডেন্টের প্রতি অনস্থা প্রস্তাব উত্থাপন করে পাশ করাতে পারে। সেক্ষেত্রে ২১৮টি আসনই যথেষ্ঠ। ডেমোক্র্যাটরা পাচ্ছেন ২৫৫টি আসন। তবে সিনেটে প্রক্রিয়াটি জটিল। হাউজের প্রস্তাবে প্রেসিডেন্টকে ইমপিচমেন্টে কনভিক্ট বা প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরাতে হলে সিনেটের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোট লাগে। ১০০ সিনেটরের মধ্যে ৬৭ জন ইসপিচমেন্টের পক্ষে ভোট দিলেই তা সম্ভব। সিনেটে এমন আসন সংখ্যা ডেমোক্র্যাটদের নেই। এ ক্ষেত্রে রিাপবলিক্যান সিনেটররা পার্টি লাইন ক্রস করে ডেমোক্র্যাটদের প্রস্তাবে ভোট দিলে তবেই সম্ভব। বাস্তবে তা খুবই কঠিন। অতীতে বিল ক্লিনটন ও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এ ধরনের প্রস্তাব সিনেট বাস্তবায়ন করতে পারেনি।