ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটি। তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কাও জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের জ্বালানি কমিশনের প্রধান হোজ্জাতুল ইসলাম মুসা আহমাদি।
রোববার (২৫ অক্টোবর) ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
আহমাদি বলেন, বিশ্ববাজারে ইতোমধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৭ ডলার ছাড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুতও কমছে। এ অবস্থায় জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রসহ তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলো বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে পারে।
তিনি বলেন, তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি সামগ্রিক জ্বালানি খরচও বেড়ে যাবে। এর ফলে তেল আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়তে পারে।
আহমাদির মতে, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভোক্তাদের সুরক্ষা দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। সংকট যত দীর্ঘ হবে, এর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব মোকাবিলা করাও তত কঠিন হয়ে উঠবে।
ইরান তেলের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি চাপ বজায় রাখতে চায় বলেও জানান আহমাদি। তাঁর দাবি, জ্বালানি খাতে ইরানের কৌশলগত অবস্থান ও দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরক্ষাসক্ষমতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তেলের দাম কমতে না দিলে জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হতে পারে, যা ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যয় বাড়াবে।
এ ছাড়া ফ্রান্স, পর্তুগাল, আলবেনিয়া ও ইতালিসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের জ্বালানিসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেন আহমাদি। তাঁর সতর্কবার্তা, তেল সরবরাহে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও চাপে পড়তে পারে।
সূত্র: মেহের নিউজ