সোমবার ৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Advertise with us

নায়িকাদের বয়স নিয়ে কটাক্ষ, শাহরুখের প্রসঙ্গ তুলে তাপসীর ক্ষোভ

বিনোদন ডেস্ক   |   সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

নায়িকাদের বয়স নিয়ে কটাক্ষ, শাহরুখের প্রসঙ্গ তুলে তাপসীর ক্ষোভ

বলিউডে নায়িকাদের জন্য বয়স যেন অনেক সময় প্রতিভার চেয়েও বড় পরিচয়। একজন অভিনেত্রী যখন তিরিশের ঘরে পা রাখেন, তখন তাঁর অভিনয় দক্ষতা, জনপ্রিয়তা কিংবা অভিজ্ঞতার চেয়ে বেশি আলোচনায় চলে আসে তাঁর বয়স। আর এই বাস্তবতার কথাই এবার খোলাখুলি তুলে ধরলেন বলিউডের অন্যতম স্পষ্টবাদী অভিনেত্রী তাপসী পান্নু।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপসী এমন এক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন, যা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত নয়; বরং চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করা অসংখ্য নারীর পরিচিত বাস্তবতা। তাঁর দাবি, মাত্র ৩০ বছর বয়সেই তাঁকে শুনতে হয়েছিল যে তিনি আর রোমান্টিক কমেডি বা রমকম ঘরানার ছবির জন্য উপযুক্ত নন। তাপসী যখন হিন্দি সিনেমায় নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ২৪-২৫ বছর। নতুন মুখ হিসেবে ভালো চরিত্র পাওয়ার জন্য তাঁকে দীর্ঘ সময় সংগ্রাম করতে হয়েছে। কিন্তু সেই সংগ্রামের পথ পেরিয়ে যখন তিনি প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করলেন, তখনই বয়স হয়ে দাঁড়াল নতুন বাধা।

অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘আমি যখন হিন্দি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করি, তখন একটা ভালো চরিত্র পাওয়ার জন্য লড়াই করছিলাম। আর সেই লড়াই করতে করতেই যখন ৩০ পার করলাম, তখন শুনতে হলো, তুমি আর রমকম ছবির জন্য উপযুক্ত নও।’

তাপসীর বক্তব্যে উঠে এসেছে বলিউডের বর্তমান বাস্তবতা। এখানে অনেক সময় নারী অভিনেত্রীদের জন্য তারুণ্যকে সাফল্যের প্রধান শর্ত হিসেবে দেখা হয়। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের জন্য চরিত্রের পরিসর সংকুচিত হতে থাকে। অথচ একই নিয়ম পুরুষ তারকাদের ক্ষেত্রে খুব কমই প্রযোজ্য।

তাঁর মতে, অনেক চরিত্রের জন্য বয়সে কম অভিনেত্রীর প্রয়োজন না থাকলেও নির্মাতারা সচেতনভাবেই তরুণ মুখ খোঁজেন। বিষয়টি শুধু বাজার বা দর্শকের চাহিদার কারণে নয়; বরং শিল্পের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা এক ধরনের মানসিকতার ফল।

তবে তাপসীর এই অভিজ্ঞতা শুধু বলিউডেই সীমাবদ্ধ ছিল না। দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পেও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলে জানান তাপসী। সেখানে বয়সে কিছুটা বড় কোনো অভিনেতার বিপরীতে অভিনয় করলে অনেক তরুণ অভিনেতা তাঁর সঙ্গে জুটি বাঁধতে অনাগ্রহ দেখাতেন।

তাপসী এই দুই ঘটনার মাধ্যমে তুলে ধরেন দ্বৈত মানদণ্ডের বিষয়টি। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের নাম। তাপসীর মতে, একজন অভিনেত্রী যদি শাহরুখ খানের বিপরীতে কাজ করেন, তাহলে সেটি তাঁর ক্যারিয়ারের জন্য বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু নারী শিল্পীদের ক্ষেত্রে বয়স ও জুটির সমীকরণ নিয়ে ভিন্ন ধরনের বিচার কাজ করে।

চলচ্চিত্র শিল্পে বয়স নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। বিশ্বের বিভিন্ন চলচ্চিত্র অঙ্গনেই নারী অভিনেত্রীদের জন্য বয়সকে একটি বড় সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখা হয়। অনেক অভিনেত্রীই অতীতে এ বিষয়ে কথা বলেছেন।

তাপসীর সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। প্রশ্নটা তাই থেকেই যায়, একজন অভিনেতার ক্ষেত্রে যেখানে অভিজ্ঞতা ও পরিণত বয়সকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হয়, সেখানে একজন অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে কেন তা প্রায়ই বাধা হয়ে দাঁড়ায়? সূত্র: মিড ডেবলিউডে নায়িকাদের জন্য বয়স যেন অনেক সময় প্রতিভার চেয়েও বড় পরিচয়। একজন অভিনেত্রী যখন তিরিশের ঘরে পা রাখেন, তখন তাঁর অভিনয় দক্ষতা, জনপ্রিয়তা কিংবা অভিজ্ঞতার চেয়ে বেশি আলোচনায় চলে আসে তাঁর বয়স। আর এই বাস্তবতার কথাই এবার খোলাখুলি তুলে ধরলেন বলিউডের অন্যতম স্পষ্টবাদী অভিনেত্রী তাপসী পান্নু।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাপসী এমন এক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন, যা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত নয়; বরং চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করা অসংখ্য নারীর পরিচিত বাস্তবতা। তাঁর দাবি, মাত্র ৩০ বছর বয়সেই তাঁকে শুনতে হয়েছিল যে তিনি আর রোমান্টিক কমেডি বা রমকম ঘরানার ছবির জন্য উপযুক্ত নন। তাপসী যখন হিন্দি সিনেমায় নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ২৪-২৫ বছর। নতুন মুখ হিসেবে ভালো চরিত্র পাওয়ার জন্য তাঁকে দীর্ঘ সময় সংগ্রাম করতে হয়েছে। কিন্তু সেই সংগ্রামের পথ পেরিয়ে যখন তিনি প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করলেন, তখনই বয়স হয়ে দাঁড়াল নতুন বাধা।

অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘আমি যখন হিন্দি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ শুরু করি, তখন একটা ভালো চরিত্র পাওয়ার জন্য লড়াই করছিলাম। আর সেই লড়াই করতে করতেই যখন ৩০ পার করলাম, তখন শুনতে হলো, তুমি আর রমকম ছবির জন্য উপযুক্ত নও।’

তাপসীর বক্তব্যে উঠে এসেছে বলিউডের বর্তমান বাস্তবতা। এখানে অনেক সময় নারী অভিনেত্রীদের জন্য তারুণ্যকে সাফল্যের প্রধান শর্ত হিসেবে দেখা হয়। ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের জন্য চরিত্রের পরিসর সংকুচিত হতে থাকে। অথচ একই নিয়ম পুরুষ তারকাদের ক্ষেত্রে খুব কমই প্রযোজ্য।

তাঁর মতে, অনেক চরিত্রের জন্য বয়সে কম অভিনেত্রীর প্রয়োজন না থাকলেও নির্মাতারা সচেতনভাবেই তরুণ মুখ খোঁজেন। বিষয়টি শুধু বাজার বা দর্শকের চাহিদার কারণে নয়; বরং শিল্পের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা এক ধরনের মানসিকতার ফল।

তবে তাপসীর এই অভিজ্ঞতা শুধু বলিউডেই সীমাবদ্ধ ছিল না। দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পেও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলে জানান তাপসী। সেখানে বয়সে কিছুটা বড় কোনো অভিনেতার বিপরীতে অভিনয় করলে অনেক তরুণ অভিনেতা তাঁর সঙ্গে জুটি বাঁধতে অনাগ্রহ দেখাতেন।

তাপসী এই দুই ঘটনার মাধ্যমে তুলে ধরেন দ্বৈত মানদণ্ডের বিষয়টি। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের নাম। তাপসীর মতে, একজন অভিনেত্রী যদি শাহরুখ খানের বিপরীতে কাজ করেন, তাহলে সেটি তাঁর ক্যারিয়ারের জন্য বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু নারী শিল্পীদের ক্ষেত্রে বয়স ও জুটির সমীকরণ নিয়ে ভিন্ন ধরনের বিচার কাজ করে।

চলচ্চিত্র শিল্পে বয়স নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। বিশ্বের বিভিন্ন চলচ্চিত্র অঙ্গনেই নারী অভিনেত্রীদের জন্য বয়সকে একটি বড় সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখা হয়। অনেক অভিনেত্রীই অতীতে এ বিষয়ে কথা বলেছেন।

তাপসীর সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। প্রশ্নটা তাই থেকেই যায়, একজন অভিনেতার ক্ষেত্রে যেখানে অভিজ্ঞতা ও পরিণত বয়সকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হয়, সেখানে একজন অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে কেন তা প্রায়ই বাধা হয়ে দাঁড়ায়? সূত্র: মিড ডে

Facebook Comments Box
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম