ডেস্ক রিপোর্ট | সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | ২১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়নকাজ শেষে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় তিনি আধুনিকায়ন করা উদ্যান এবং এর প্রাঙ্গণে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করেন।
ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা। জুলাইয়ের শহীদ ও বীর যোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি স্মরণ করার সুযোগ পাবেন।
আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় সাজানো ওসমানী উদ্যান
পুলিশ হেডকোয়ার্টারের বিপরীত পাশে অবস্থিত ওসমানী উদ্যানের মূল ফটক দিয়ে প্রবেশ করলেই বাম পাশে চোখে পড়ে লেক। উদ্যানের মাঝখানে রয়েছে ফোয়ারা। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে আধুনিক লাইব্রেরি, জিমনেশিয়াম ও ক্যাফেটেরিয়া।
লাইব্রেরির আগে বাম পাশ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলে পাওয়া যাবে জাদুঘরের জন্য নির্ধারিত ভূগর্ভস্থ স্থান।
স্মৃতিস্তম্ভে খোদাই করা হয়েছে শহীদদের নাম
উদ্যানের মাঝামাঝি স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ। স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশ পাকা করা হয়েছে। মাঝখানে স্থাপিত স্টিলের পাতের ওপর খোদাই করা হয়েছে জুলাই শহীদদের নাম।
এ ছাড়া স্মৃতিস্তম্ভের রেলিংয়ের ভেতরের অংশে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন চিত্র স্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আন্দোলনের ঐতিহাসিক ঘটনাবলি ও শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছে।
স্মৃতিস্তম্ভের ঠিক সামনেই রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রতীকী কবর। এর পাশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে হাঁটার পথ বা ওয়াকওয়ে। ফলে দর্শনার্থীরা স্মৃতিস্তম্ভ ঘুরে দেখার পাশাপাশি উদ্যানের মনোরম পরিবেশে হাঁটার সুযোগও পাবেন।