অর্থনীতি ডেস্ক | সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বেসরকারি খাতে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ আবার বাড়ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষে ঋণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬০ কোটি ডলার। এর আগে কমতে কমতে গত বছরের আগস্টে যা ৯৫৭ কোটি ডলারে নেমেছিল। সাধারণত বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য এ ধরনের ঋণ নিয়ে থাকেন। এর আগে অনেক বেড়ে ২০২২ সালের শেষের দিকে যা এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলারে উঠেছিল।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদেশি সরবরাহকারী থেকে বাকিতে আমদানি, ব্যাক টু ব্যাক এলসিসহ বিভিন্ন উপায়ে এ ধরনের ঋণ নেওয়া হয়। মাঝে অনেক ব্যাংকের ক্রেডিট লাইন স্থগিতসহ এ ধরনের ঋণ কম পাওয়া যাচ্ছিল। তবে ডলার দরে স্থিতিশীলতা, রিজার্ভ বাড়ার ফলে আবার স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ বাড়ছে।
করোনাভাইরাসের প্রভাবে ২০২০ ও ২০২১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত অর্থনীতিতে স্থবিরতা নেমে আসে। ওই সময়ই বাংলাদেশে বিদেশি ঋণ অনেক বেড়ে যায়। করোনার প্রভাব শুরুর পর এক বছরের ব্যবধানে স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রায় ৬৫ শতাংশ বেড়ে ২০২১ সালের শেষে এক হাজার ৫৪৬ কোটি ডলার হয়। পরের বছর আরও বেড়ে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলারে ঠেকে। ডলার সংকট শুরুর পর এ ধরনের ঋণ তেমন পাওয়া যাচ্ছিল না।
স্বল্পমেয়াদি ঋণ কমতে কমতে গত বছরের আগস্টে ৯৫৭ কোটি ডলারে নেমে যায়। গত ৫৬ মাসের মধ্যে যা ছিল সর্বনিম্ন। তবে সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি মাসে একটু করে বাড়ছে। গত ডিসেম্বরের শেষদিকে যা এক হাজার ১৯ কোটি ডলার হয়েছিল। সেখান থেকে আরও বেড়ে জানুয়ারিতে এক হাজার ৪৭ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে আরও বেড়ে এক হাজার ৬০ কোটি ডলার হয়েছে।