খেলাধুলা ডেস্ক | মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
মালদ্বীপে চলমান ২০২৬ সালের অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জয়ের মিশনে আজ মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। মালের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য (০-০) সমতায় রয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। প্রথমার্ধজুড়ে বল দখলে রেখে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি মার্ক কক্সের শিষ্যরা।
ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই দেখা যায় আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণ। শুরুতেই একটি কর্নার আদায় করে নেয় বাংলাদেশ, যদিও ফিনিশিংয়ের অভাবে তা থেকে গোল আদায় করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে পাকিস্তানও শুরুর দিকে বাংলাদেশের রক্ষণে চাপ তৈরির চেষ্টা করে।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ও বল পজিশন পুরোপুরি নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ। টানা আক্রমণে পাকিস্তানকে রীতিমতো কোণঠাসা করে ফেলে তারা। জায়গা না পেয়ে নিজেদের অর্ধেই গুটিয়ে থাকতে বাধ্য হয় পাকিস্তান।
ড্রিংকস ব্রেকের পর চাপ কিছুটা সামলে ৪০তম মিনিটে একটি কর্নার আদায় করে নেয় পাকিস্তান, তবে দুর্বল ডেলিভারির কারণে সেটি কাজে লাগাতে পারেনি তারা। প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময়ের পর আরও ৬ মিনিট যোগ করা সময় দেওয়া হয়। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। বল পজিশন ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তারের কারণে বাংলাদেশ দল প্রথমার্ধ শেষে লিড না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়েই ড্রেসিংরুমে ফিরেছে। অন্যদিকে, প্রবল চাপের মুখেও গোল হজম না করার স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে গেছে পাকিস্তান।
বয়সভিত্তিক এই টুর্নামেন্টে ২০১৫ সালে প্রথম অংশ নিয়ে সেমিফাইনাল পর্যন্ত গিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর থেকে অনূর্ধ্ব-১৮, ১৯ ও ২০ পর্যায়ে মোট সাতবার খেলেছে। যার মধ্যে চ্যাম্পিয়ন একবার ২০২৪ সালে। অন্য ছয়বারের মধ্যে রানার্সআপই চারবার।
অন্যদিকে পাকিস্তান খেলছে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো। টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রাখতে এই ম্যাচে ৩ পয়েন্টের বিকল্প নেই ফরোয়ার্ড মোরশেদ আলীদের সামনে। কারণ আগামী ২৮ মার্চ গ্রুপের শেষ ও কঠিনতম ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে কাঙ্ক্ষিত গোলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী দুই যমজ ভাই রোনান ও ডেকলান সুলিভান এবং ইংল্যান্ডপ্রবাসী ইব্রাহিম নেওয়াজের দিকেও বিশেষ নজর থাকবে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের।