অর্থনীতি ডেস্ক | রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
এবারের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ২২৪ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে মেলায় প্রায় ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বেচাকেনা হয়েছে। গতকাল শনিবার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে (পূর্বাচলে) বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বাণিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। এফবিসিসিআইর প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মেলায় অংশ নেয় দেশি-বিদেশি ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশের পরিমাণ প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ২২৪ কোটি টাকা। রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও তুরস্ক থেকে। মেলার আয়োজকরা জানান, স্থানীয়ভাবে আনুমানিক ৩৯৩ কোটি টাকা মূল্যের পণ্যসামগ্রী (রেস্তোরাঁসহ) বেচাকেনা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবারের মেলায় বিক্রয়মূল্য বেড়েছে তিন দশমিক ৪২ শতাংশ।
সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন ক্যাটেগরির সেরা প্যাভিলিয়ন, স্টল ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। নির্মাণ কাঠামো, স্থাপত্য সৌন্দর্য ও অঙ্গসজ্জা বা অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা, পণ্য প্রদর্শন এবং ক্রেতা ও দর্শক সেবার মান ও ক্রেতার সন্তুষ্টি, বরাদ্দপত্রের শর্ত প্রতিপালন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন, ডিজিটাল কনটেন্ট, রপ্তানিকারক ও উৎপাদনকারী হিসেবে অবদান, ইনোভেশন ইত্যাদি নির্ণায়ক বিবেচনায় বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে মনোনীত করা হয়।
এবারের মেলায় দেশি-বিদেশি ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়া– এই ছয়টি দেশের ১১টি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নেয়। মেলায় কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্পের অন্তর্ভুক্ত অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ফার্নিচার, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য, কসমেটিকস, গৃহসজ্জা, খেলনা, স্টেশনারিজ, হোম ডেকোর, ক্রোকারিজ, হস্তশিল্পজাত পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য, মেলামাইন, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, রিয়েল এস্টেট শিল্পের পণ্য ও সেবা প্রদর্শিত এবং বিক্রি হয়েছে।