শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

রেডসিতে ‘উমরাও জান’ এর বিশেষ প্রদর্শনী, আজীবন সম্মানায় ভূষিত রেখা

বিনোদন ডেস্ক   |   বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ৩৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

রেডসিতে ‘উমরাও জান’ এর বিশেষ প্রদর্শনী, আজীবন সম্মানায় ভূষিত রেখা

সৌদি আরবের জেদ্দায় বসেছে রেড সি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পঞ্চম আসর। এবারের আসরে বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী রেখাকে সিনেমায় অসামান্য অবদানের জন্য আজীবন সম্মানায় ভুষিত করেছে। ভারতীয় সিনেমায় তাঁর দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ যাত্রার স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মাননা।

গত ৪ ডিসেম্বর শুরু হয়েছে এই উৎসব। শেষ হবে ১৩ ডিসেম্বল। অভিনেত্রী রেখা ৭ ডিসেম্বর উৎসবে উপস্থিত ছিলেন। এই উপলক্ষে ১৯৮১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তাঁর কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘উমরাও জান’ এর বিশেষ প্রদর্শনী হয়। সেনমাটি দেখানো হয়েছে ট্রেজার স্ট্যান্ড সেকশনে। যেখানে ইতিহাসে বিশেষ ছাপ রেখে যাওয়া, পুনরুদ্ধার করে পুনরায় প্রদর্শিত সিনেমাগুলো স্থান পায়।

প্রদর্শনীর সময় প্রেক্ষাগৃহ ছিল দর্শকে উপচে পড়া। দর্শক, গণমাধ্যমকর্মী এবং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছবির পরিচালক মুজাফফর আলী। পাশাপাশি স্মরণ করা হয় প্রখ্যাত সুরকার খয়্যাম–এর পরিবারকে। যাঁর সঙ্গীত এই চলচ্চিত্রে অনন্য মাত্রা যোগ করেছিল।

মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রেখা বলেন, আমি খুব বেশি কথাবার্তা বলি না। ‘উমরাও জান’-এ আমার সংলাপও চোখের ভাষায় প্রকাশ পেয়েছিল। মা সবসময় বলতেন—নিজের অর্জন নিয়ে কথা বলো না, এমন জীবন বেছে নাও, যা দেখে মানুষ কিছু শিখতে পারে। আমি বুঝেছি কী করা উচিত নয়। তাই এই উৎসবে আসার সুযোগ হাতছাড়া করিনি।’

তিনি আরও বলেন, নীরবতার শক্তি শব্দের চেয়েও বেশি। আজকের এই মুহূর্ত আমি উৎসর্গ করছি আমার ভক্ত, বন্ধু ও পরিবারকে। সবকিছু শব্দে নয়, ভালোবাসায় ঘটে—আর সেই ভালোবাসা নীরব হয়েও প্রবল।

‘উমরাও জান’ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮১ সালের ২ জানুয়ারি। ২০২৫ সালের ২৭ জুন ছবিটি ফোকে রিস্টোরড ভার্সনে পুনরায় মুক্তি পায়।

ফেস্টিভ্যালের আর্টিস্টিক ডিরেক্টর ফিন হ্যালিগান রেখাকে নিয়ে বলেন, রেখা শুধু ভারতীয় সিনেমার অংশ নন, তিনি নিজেরও পরিচয়। নিজের ক্যারিয়ারে তিনি বহুবার নিজেকে পুনর্নির্মাণ করেছেন। ‘খুবসুরত’, ‘খুন ভরি মাঙ্গ’, ‘মুকাদ্দর কা সিকন্দর’, ‘ইজাজত’, ‘লজ্জা’ ও ‘জুবেইদা’—এসব চলচ্চিত্র প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, রেখার কণ্ঠ, অভিব্যক্তি ও নিবেদন তাঁকে এমন এক আইকন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যাকে জীবন্ত কিংবদন্তি বলা যায়।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম