খেলা ডেস্ক | সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | ৭২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
কাউন্টি ক্রিকেটে সারের হয়ে খেলার সময় সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের কারণে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। এতদিন পর সেই ঘটনা নিয়ে এক বিস্ফোরক তথ্য দিলেন তিনি। জানালেন, ক্লান্তির কারণে নাকি ‘ইচ্ছে করেই’ কিছুটা অবৈধ অ্যাকশনে বল করেছিলেন সাকিব!
সম্প্রতি ‘বিয়ার্ড বিফোর উইকেট’ পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন অদ্ভুত দাবি করেছেন সাকিব। ২০২৪ সালে সারের হয়ে সমারসেটের বিপক্ষে সেই ম্যাচে তিনি দুই ইনিংস মিলিয়ে ৬৩.২ ওভার বল করেছিলেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুটি টেস্ট খেলে ইংল্যান্ডে গিয়েই এত দীর্ঘ সময় বল করতে গিয়ে শরীর সায় দিচ্ছিল না তার।
সাকিবের ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় আমি কিছুটা ইচ্ছে করেই ওমন (অবৈধ অ্যাকশন) করেছিলাম। কারণ এক ম্যাচে আমি ৭০ ওভারের বেশি (রেকর্ড বলছে ৬৩.২ ওভার) বল করেছিলাম। আমার ক্যারিয়ারে কোনো টেস্ট ম্যাচে আমি এত বল করিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাক-টু-ব্যাক টেস্ট খেলে গিয়েছিলাম কাউন্টি খেলতে। আমি প্রচণ্ড ক্লান্ত ছিলাম।’
আম্পায়াররা তাকে সতর্ক না করেই রিপোর্ট করেছিলেন, এ নিয়ে কিছুটা আক্ষেপ থাকলেও নিয়ম মেনে নিয়েছেন সাকিব। তিনি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম আম্পায়ার অন্তত আমাকে প্রথমে সতর্ক করবেন। কিন্তু নিয়মে রিপোর্ট করার এখতিয়ার তাদের আছে। তাই আমি অভিযোগ করিনি।’
ওই ঘটনার পর গত বছরের ডিসেম্বরে লাফবরো ইউনিভার্সিটিতে পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়ে ইসিবি ও আইসিসির টুর্নামেন্টে নিষিদ্ধ হন সাকিব। পরে চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা দিয়েও ব্যর্থ হন, যার ফলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও বিবেচনা করা হয়নি তাকে। তবে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে তৃতীয় পরীক্ষায় পাস করে আবারও বোলিংয়ের অনুমতি পেয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। সারের সহযোগিতায় মাত্র দুটি সেশনেই তিনি নিজের অ্যাকশন শুধরে নিয়েছিলেন বলে জানান সাকিব।কাউন্টি ক্রিকেটে সারের হয়ে খেলার সময় সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের কারণে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। এতদিন পর সেই ঘটনা নিয়ে এক বিস্ফোরক তথ্য দিলেন তিনি। জানালেন, ক্লান্তির কারণে নাকি ‘ইচ্ছে করেই’ কিছুটা অবৈধ অ্যাকশনে বল করেছিলেন সাকিব!
সম্প্রতি ‘বিয়ার্ড বিফোর উইকেট’ পডকাস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন অদ্ভুত দাবি করেছেন সাকিব। ২০২৪ সালে সারের হয়ে সমারসেটের বিপক্ষে সেই ম্যাচে তিনি দুই ইনিংস মিলিয়ে ৬৩.২ ওভার বল করেছিলেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুটি টেস্ট খেলে ইংল্যান্ডে গিয়েই এত দীর্ঘ সময় বল করতে গিয়ে শরীর সায় দিচ্ছিল না তার।
সাকিবের ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় আমি কিছুটা ইচ্ছে করেই ওমন (অবৈধ অ্যাকশন) করেছিলাম। কারণ এক ম্যাচে আমি ৭০ ওভারের বেশি (রেকর্ড বলছে ৬৩.২ ওভার) বল করেছিলাম। আমার ক্যারিয়ারে কোনো টেস্ট ম্যাচে আমি এত বল করিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাক-টু-ব্যাক টেস্ট খেলে গিয়েছিলাম কাউন্টি খেলতে। আমি প্রচণ্ড ক্লান্ত ছিলাম।’
আম্পায়াররা তাকে সতর্ক না করেই রিপোর্ট করেছিলেন, এ নিয়ে কিছুটা আক্ষেপ থাকলেও নিয়ম মেনে নিয়েছেন সাকিব। তিনি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম আম্পায়ার অন্তত আমাকে প্রথমে সতর্ক করবেন। কিন্তু নিয়মে রিপোর্ট করার এখতিয়ার তাদের আছে। তাই আমি অভিযোগ করিনি।’
ওই ঘটনার পর গত বছরের ডিসেম্বরে লাফবরো ইউনিভার্সিটিতে পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়ে ইসিবি ও আইসিসির টুর্নামেন্টে নিষিদ্ধ হন সাকিব। পরে চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা দিয়েও ব্যর্থ হন, যার ফলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও বিবেচনা করা হয়নি তাকে। তবে সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে তৃতীয় পরীক্ষায় পাস করে আবারও বোলিংয়ের অনুমতি পেয়েছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। সারের সহযোগিতায় মাত্র দুটি সেশনেই তিনি নিজের অ্যাকশন শুধরে নিয়েছিলেন বলে জানান সাকিব।