শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

টি-টোয়েন্টি জিততে ছক্কা লাগে: ইমন

খেলা ডেস্ক   |   সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ৫২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

টি-টোয়েন্টি জিততে ছক্কা লাগে: ইমন

বাংলাদেশ ছন্দে থাকলে যে কোনো দলের বিপক্ষে ভালো খেলে। শ্রীলঙ্কা থেকে জয়ের ছন্দ নিয়ে দেশে ফেরা লিটন কুমার দাসরা সে রেকর্ড ধরে রেখেছেন পাকিস্তানের বিপক্ষেও। গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অলআউট ক্রিকেট খেলে ৭ উইকেটে জিতেছে ২৭ বল হাতে রেখে।

এই জয় আরও আত্মবিশ্বাসী করবে ক্রিকেটারদের। পরের ম্যাচে আরও ভালো খেলতে প্রেরণা জোগাবে। যদিও পিচ নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন বলেছেন, গতকালের ম্যাচের উইকেট আন্তর্জাতিক মানের ছিল না। বাংলাদেশের ব্যাটিং আমলে নেওয়া হলে হেসনের অভিযোগ ধোপে টেকার কথা না। কারণ স্লো উইকেটেও অসাধারণ ব্যাটিং করে ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেছেন পারভেজ হোসেন ইমন। যেটা ব্যাটার ও বাংলাদেশ দলের কৃতিত্ব।

পাকিস্তানকে ১১০ রানে অলআউট করে জয়ের ভিত রচনা করেছিল বাংলাদেশ। ১১১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতে উইকেট হারানো ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। লিটন কুমার দাস ১ রানে উইকেট বিসর্জন দেওয়ায় ঝুঁকি নেওয়া কঠিন হয়। সেখান থেকেই পারভেজ ইমন ও তাওহীদ হৃদয় মিলে ৭৩ রানের জুটি করেন। এ কাজটিই কলম্বোতে করেছিলেন লিটন-হৃদয়। সেখানে দ্রুত দুই টপঅর্ডারের বিদায়ে জুটি গড়ার চ্যালেঞ্জ ছিল। গতকাল লিটন ব্যর্থ হলেও পারভেজ হোম অব ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগান।

বিরুদ্ধ কন্ডিশনে হার না মানা ৫৬ রানের ইনিংস খেলা নিয়ে ইমন বলেন, ‘আমি আসলে বর্তমানে থাকার চেষ্টা করছি। শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে ভাবিনি। কারণ ওটা শ্রীলঙ্কায় শেষ হয়ে গেছে। আমি চেষ্টা করেছি মনোযোগ ম্যাচে রাখার। বল দেখে খেলার।’

ইমনের কাছে উইকেট খারাপ মনে হয়নি। তাই পাকিস্তান কোচ হেসনের অভিযোগ উড়িয়ে দেন তিনি। ইমন বলেন, ‘এমন কিছু মনে হয়নি (উইকেট স্লো)। আমরা ১১০ রান করেছি ১৬ ওভারে। ২০ ওভারও খেললে ১৬০ রান করতে পারতাম। হতে পারে ওরা মানিয়ে নিতে পারেনি। আমরা মানিয়ে নিতে চেষ্টা করছি।’

কলম্বোতে স্পিন উইকেটে খেলেছে বাংলাদেশ। কন্ডিশনের সুবিধা পেয়ে অলআউট খেলে জিতে নেয় ম্যাচ। সে অভিজ্ঞতা মিরপুরেও কাজে লেগেছে। বিশেষ করে বোলিং বিভাগ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে। মুস্তাফিজুর রহমান নিজেকে ছাপিয়ে গেছেন। এর পরও চ্যালেঞ্জ ছিল রান তাড়া করার। ইমনরা সে দায়িত্ব ভালোভাবেই পালন করেছেন। তিনি ৫টি ছয় ও ৩টি চার হাঁকালে পাকিস্তানের বোলাররা ম্যাচ থেকে ছিটকে যান।

নিজেদের ব্যাটিং নিয়ে বাঁহাতি এ ওপেনার বলেন, ‘টি২০ খেলতে (ছয়) এই দক্ষতা থাকতেই হবে। আমাদের সবার এই দক্ষতা আছে। একদম শেষে যে ব্যাটার নামে ওরও ছয় মারার দক্ষতা আছে।’

দেড় মাস আগে লাহোরে হোয়াইটওয়াশ হওয়া ইমনরা দেশের মাটিতে পাকিস্তানকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে কথা বলছেন। মিডিয়ার সামনে নিজেদের প্রমাণ করার চেষ্টা করলেন টি২০ ক্রিকেটের ভালো দল হিসেবে।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম