নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ২৬৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ২৫ বছরের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বাংলা ট্রাভেলস এবার বাংলাদেশেও তাদের শাখা চালু করেছে। এখন থেকে নিউইয়র্কের অভিবাসীদের মতো ন ঢাকা অফিস থেকে বাংলাদেশের মানুষজনও ট্রাভেলস সংক্রন্ত সব ধরনের সেবা পাবেন। ঢাকায় অফিস উদ্বোধনের কথা নিউইয়র্কে এক মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে জানান বাংলা ট্রাভেলসের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। সোমবার জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানে উপাস্থত ছিলেন বাংলাদেশের তিন অভিনয় শিল্পী সজল, নিরব ও ইমন।
![]()
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের (জেবিবিএ) সভাপতি গিয়াস আহমেদ, নিউইয়র্ক বাংলাদেশী আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের সাবেক সভাপতি লায়ন আহসান হাবীব, রিয়েলটর নুরুল অজিম, খলিল বিরিয়ানির কর্ণধার শেফ খুলিলুর রহমানসহ অন্যরা। এছাড়া অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কে বাংলাট্র্যাভেলসের ২৫ বছর ফূর্তি উপলক্ষ্যে কেক কেটে উৎযাপন কর হয়।
অনুষ্ঠানে বেলায়েত হোসেন বলেন, গুণগত সেবা, সাশ্রয়ী মূল্য, আস্থা ও দায়বদ্ধতার উপর ভর করে গত ২৫ বছর ধরে মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে বাংলা ট্রাভেলস। ফলে বাংলা ট্রাভেলস নিউ ইয়র্কে এক সুপরিচিত নাম। ২৫ বছরের এই যাত্রায় সেবার পরিসর বাড়াতে গত ৭ নভেম্বর ঢাকার বনানীতে বাড়ি নম্বর—০৯, রোড নম্বর—১৭, ব্লক—ই, নতুন শাখা অফিস উদ্বোধন করেছে বাংলা ট্রাভেলস। এখন থেকে বাংলা ট্রাভেলস বাংলাদেশ থেকেও দিনরাত ২৪ ঘন্টা সপ্তাহের ৭ দিন নিরিবিচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা দিয়ে যাবে।বর্তমানে বাংলা ট্রাভেলসই কমিউনিটির একমাত্র বাঙ্গলী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, যারা পৃথিবীর প্রায় সবগুলো এয়ারলাইন্সের সরাসরি স্টক—হোল্ডার। প্রায় সব এয়ারলাইনসের সাথেই আছে ডিসট্রিবিউসন পার্টনারশীপ। এতে বতমানে বাংলা ট্রাভেলসের বার্ষিক টার্ন ওভার ২০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। বাংলা ট্রাভেল শুধু একটি ট্রাভেল এজেন্সি নয়, এটি আস্থা ও সম্পর্কের নাম।
বেলায়েত বলেন, প্রতিযোগিতার বাজারে প্রতিষ্ঠিত হতে রাঘব বোয়ালদের সাথে টক্কর দিতে হয়েছে বাংলা ট্রাভেলকে। প্রতিনিয়ত এই প্রতিষ্ঠানটিকে লড়তে হয় ন্যাশনাল টেরিটরি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। পাক—ভারত উপমহাদেশের ট্রাভেল এজেন্ট ব্যবসার শতকরা ৯৯ ভাগই বাংলাদেশের প্রতিবেশী একটি রাষ্ট্রের ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে। মাত্র এক ভাগ ব্যবসা বাংলাদেশি এজেন্টদের হাতে থাকে। এক্ষেত্রে চাইলেই কমিউনিটির সবাই একসাথে ব্যবসা করে, আরো শক্তিশালী অবস্থানে যেতে পারে। তাই বাংলা কমিউনিটির ট্রাভেল এজেন্ট, যারা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় ব্যবসা করেন তাদের আহব্বান করবো, আসুন, আমাদের অবস্থান আরো সুদৃঢ় করি। এক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতায় বাংলা ট্রাভেলস সদা প্রস্তুত।
অনুষ্ঠানে নিউইয়কের্র বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের পাশাপাশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।