শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

ট্রাম্প-শির বৈঠকে খুশি মস্কো, পুতিনের সফরের লক্ষ্য কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   রবিবার, ১৭ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ট্রাম্প-শির বৈঠকে খুশি মস্কো, পুতিনের সফরের লক্ষ্য কী

চীনের নেতা শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের জন্য আগামী মঙ্গলবার বেইজিং যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সফরে উভয় নেতা দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সহযোগিতা ও সামগ্রিক আংশীদারত্ব জোরদারের লক্ষ্যে আলোচনা করবেন।

এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন জানিয়েছে, পুতিন ও শি প্রধান আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক সমস্যাগুলো নিয়ে নিজেদের মধ্যে মত বিনিময় করবেন। আলোচনা শেষে তারা একটি যৌথ ঘোষণাপত্রেও স্বাক্ষর করবেন। সফরে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন পুতিন। তাদের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।

তিনদিনের চীন সফর শেষে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি রাজকীয় সংবর্ধনা পেলেও বেশ কিছু ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা রয়েই গেছে। এর পরপরই বেইজিংয়ে যাচ্ছেন পুতিন।

‘চুক্তিতে আনন্দিত’
গত শুক্রবার চীন ছাড়ার সময় ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি বেইজিংয়ের সঙ্গে অসাধারণ কিছু বাণিজ্য চুক্তি করেছেন। এর মধ্যে আছে- বোয়িংয়ের ২০০টি জেট এবং মার্কিন তেল ও সয়াবিন কেনার ব্যাপারে চীনের প্রতিশ্রুতি। তবে এই চুক্তির বিস্তারিত তথ্য এখনো সামনে আসেনি। চীনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চুক্তির কথা বলেনি।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ চীন-যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সম্মেলনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, বেইজিংয়ের সঙ্গে মস্কোর সম্পর্ক আরো বেশি উষ্ণ। ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থানের সময় ল্যাভরভ বলেন, ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে যেসব চুক্তি হয়েছে বা হতে যাচ্ছে, সেগুলো যদি চীনা বন্ধুদের স্বার্থে হয়, তবে তা মস্কোর জন্য আনন্দের ব্যাপার।

বর্তমানে রাশিয়ার জীবাশ্ম জ্বালানির শীর্ষ ক্রেতা চীন। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার হয়েছে।

ট্রাম্প চীনে পৌঁছানোর আগে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে আলোচনার অনুরোধ করেছিলেন ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে শি ও ট্রাম্পের দুই দফা বৈঠক হলেও এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য তথ্য সামনে আসেনি। মস্কো জানিয়েছে, কিয়েভ যদি ক্রেমলিনের সবোর্চ্চ দাবিগুলো মেনে না নেয়, তবে তারা যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত কোনো আলোচনায় বসবে না।

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চীন নিয়মিত আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে ঠিকই, কিন্তু এখনো রুশ সেনা অভিযানের নিন্দা জানায়নি। বরং নিজেদেরকে নিরপেক্ষ হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে। একইসঙ্গে রাশিয়ায় কোনো ধরনের অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয়টিকেও অস্বীকার করেছে। বিপরীতে বেইজিং দাবি করেছে, ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে রক্তক্ষয়ী সংঘাত দীর্ঘ করছে।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম