শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

হুড়োহুড়িতে আদালতের সিঁড়িতে পড়ে গেলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী

জাতীয় ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৯ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

হুড়োহুড়িতে আদালতের সিঁড়িতে পড়ে গেলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তার রিমান্ড ও জামিন উভয় আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। তবে আদালত থেকে জেলহাজতে নিয়ে যাওয়ার সময় আইনজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রচণ্ড হুড়োহুড়িতে সিঁড়ি থেকে পড়ে যান তিনি।

আদালতের কার্যক্রম শেষে শিরীন শারমিনকে যখন সিএমএম কোর্টের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামানো হচ্ছিল, তখন উপস্থিত আইনজীবী ও সংবাদকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। ভিড়ের চাপে ভারসাম্য হারিয়ে তিনি সিঁড়িতে পড়ে যান এবং যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠেন। এ সময় কর্তব্যরত নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে দ্রুত ধরে টেনে তোলেন এবং কর্ডন করে প্রিজন ভ্যানে নিয়ে যান।

এর আগে দুপুরে কড়া নিরাপত্তায় তাকে আদালতে হাজির করে দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। রাষ্ট্রপক্ষের পিপি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ‘শিরীন শারমিন ফ্যাসিবাদের অন্যতম কুশীলব ছিলেন। আন্দোলনের সময় রক্তক্ষয়ী হামলার নেপথ্য পরিকল্পনা জানতে তাকে রিমান্ডে নেওয়া জরুরি।’

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার মামুন বলেন, ‘শিরীন শারমিন চৌধুরী একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নারী এবং পেশায় আইনজীবী। ঘটনার ১০ মাস পর এই মামলাটি করা হয়েছে এবং তিনি নিজে থেকেই পদত্যাগ করেছিলেন। মানবিক দিক বিবেচনায় তার জামিন হওয়া উচিত।’ আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে গুলিবর্ষণে মো. আশরাফুল (ফাহিম) স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঘটনায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং শিরীন শারমিনসহ অন্যান্য আসামিদের প্রত্যক্ষ মদতে এই হামলা চালানো হয়। মামলার ৩ নম্বর আসামি হিসেবে গত রাতে ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন, শিরীন শারমিন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অন্যতম কুশীলব ছিলেন এবং তার পরিকল্পনাতেই সহিংস ঘটনাগুলো ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম