শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

যে রোগে ভুগছিলেন পারভেজ মোশাররফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ১৪৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

যে রোগে ভুগছিলেন পারভেজ মোশাররফ

পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ (৭৯) আজ রোববার আরব আমিরাতের আমেরিকান হাসপাতালে মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন।

বিরল রোগ অ্যামিলোইডোসিসে আক্রান্ত ছিলেন মোশাররফ। ২০১৮ সালে প্রথম অ্যামিলোইডোসিস ধরা পড়ে তার।

শারীরিক অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় গত ২০২২ সালের মে মাসের মাঝামাঝি দুবাইয়ের হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। ভর্তির তিন সপ্তাহের মধ্যেই অসুস্থতা গুরুতর পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল মোশাররফের।

এই রোগের রোগীদের দেহে অ্যামিলোইড নামের এক প্রকার প্রোটিন অস্বাভাবিক মাত্রায় তৈরি হতে থাকে। সীমিত মাত্রার অ্যামিলোইড মানবদেহের জন্য তেমন ক্ষতিকারক নয়, তবে মানবদেহে অস্বাভাবিকভাবে এ প্রোটিন বাড়তে থাকলে দেহের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন প্রত্যঙ্গের কোষ ও টিস্যুতে মরিচার মতো এটি জমতে থাকে এবং তার ফলে একসময় কার্যকারিতা হারাতে থাকে সেসব প্রত্যঙ্গ।

চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, যকৃত, কিডনিসহ অভ্যন্তরীণ অধিকাংশ প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে গেছে মোশররফের এবং যে শারীরিক অবস্থার মধ্যে দিয়ে তিনি যাচ্ছিলেন, তা থেকে ফের সুস্থ হয়ে ফেরা তার জন্য অসম্ভব। পরিবারের সদস্যরাও তার সুস্থতার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন।

পারভেজ মোশাররফের মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়ে তাৎক্ষণিক এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ তার বিদেহী আত্মাকে জান্নাতবাসী করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের মানসিক শক্তি দিন।’

১৯৪৩ সালের ১১ আগস্ট অবিভক্ত ভারতের দিল্লিতে জন্ম পারভেজ মোশাররফের। তারপর পাকিস্তানে চলে যায় তার পরিবার। করাচির সেন্ট প্যাট্রিকস হাই স্কুলে পড়াশোনা। লাহোরের ফোরম্যান ক্রিশ্চিয়ান কলেজে উচ্চশিক্ষার পাঠ নিয়ে তিনি যোগ দেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে। তার পর ধাপে ধাপে সেনাপ্রধান এবং দেশের ক্ষমতা দখল। সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৯৯৯ সালে ক্ষমতা দখলে নেন তৎকালীন সেনাপ্রধান পারভেজ মোশাররফ। ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

পরে ২০১৯ সালে তাকে দেশদ্রোহিতার কারণে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে মৃত্যুদণ্ড বাতিল হয়।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম