আন্তর্জাতিক ডেস্ক | শনিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট | ১৩৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পাকিস্তানের বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। এর জন্য নয়াদিল্লিকে দায়ী করেছে ইসলামাবাদ। শুক্রবার দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, ভারত নদী বণ্টন চুক্তি স্থগিত এবং গেট ভেঙে ফেলায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। খবর রয়টার্সের
চলতি সপ্তাহে মুষলধারে বৃষ্টিপাতের কারণে ভয়াবহ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দুই প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তান। এছাড়া এ সপ্তাহেও ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। শুক্রবার পূর্ব পাকিস্তান ও দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর লাহোরে বন্যা পরিস্থিতি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে ঝাং শহরটি ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। গত ৪০ বছরের মধ্যে এ অঞ্চলে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে।
গত ছয় দশক ধরে নদী বণ্টন চুক্তি অনুযায়ী তথ্য শেয়ার করে আসছিল ভারত ও পাকিস্তান। কিন্তু পেহেলগামে হামলার ঘটনায় ২৬ পর্যটক নিহত হওয়ার পর পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করে সিন্ধু চুক্তি স্থগিত করে নয়াদিল্লি। যদিও ইসলামাবাদ ওই অভিযোগ অস্বীকার করে।
পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল রয়টার্সকে বলেন, নদী বণ্টন চুক্তি অনুযায়ী ভারতের যেভাবে পানি প্রবাহের তথ্য শেয়ার করা উচিত সেটি হচ্ছে না। পাকিস্তানকে তারা পর্যাপ্ত তথ্য দিচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের কাছে সঠিক তথ্য থাকলে এই বন্যাকে ভালোভাবে মোকাবিলা করার সুযোগ থাকত। যদি সিন্ধু চুক্তি কার্যকর থাকত তাহলে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে পারতাম।
তবে ভারত সরকার পাকিস্তানে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে তথ্য সরবরাহের লুকোচুরির বিষয়টি অস্বীকার করেছে। এছাড়া তারা মাধোপুর ব্যারেজের দুটি গেট ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ব্যারাজের ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও ভারতীয় কর্তৃপক্ষ রাভি নদীর প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে এবং এর উজানে অবস্থিত রঞ্জিত সাগর বাঁধ দিয়ে প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।