শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা ও সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সংসদে আমার আগে বিরোধীদল নেতা বক্তব্য রেখেছেন, উনার পরে আমি বক্তব্য রাখছি। উনি যেই কথাগুলো বলেছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে আমি কথাগুলো বলছি। নিশ্চয়ই সবাই বুঝতে পারছেন; আমাদের লক্ষ্য এক। আমাদের উদ্দেশ্য, গন্তব্য এক। লক্ষ্য কী? লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষ। উদ্দেশ্য কী? উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ। গন্তব্য কী? একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ। আজকে জুলাই সনদ নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, আমি সেই ডিবেটেই যাবো না। কারণ, একটু আগেই আমি বলেছি, আমাদেরও লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, গন্তব্য হচ্ছে- এই দেশ, দেশের জনগণ এবং আত্মনির্ভরশীল সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, আমি আবারও বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে একমত পোষণ করছি, আমরা গত প্রায় দেড় মাস ধরে আলোচনা করেছি এই সংসদে। হ্যাঁ, আমরা অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করেছি। বিলের বিষয়ে কোনো কোনো বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। কোনো কোনো বিষয়ে হয়তো আমাদের দ্বিমত আছে।

তারেক রহমান বলেন, পরিষ্কারভাবে আমার দলের অবস্থান থেকে আমি বলতে চাই যে, যেসব বিষয়ে আমাদের দ্বিমত রয়েছে; সেগুলো নিয়ে আমরা বিরোধী দলের সদস্যদের সঙ্গে বসবো। আলোচনা করব। দেশের স্বার্থে আমরা সমাধান বের করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে সবারই মনে আছে, রোজার সময় বিরোধীদলীয় নেতা আমাকে উনাদের ইফতার পার্টিতে দাওয়াত করেছিলেন, আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। আমরা সেখানে উনাদেরকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম, ওটা উনাদের দলীয় সিদ্ধান্তের কারণ সেটা গ্রহণ করেন। সেটা উনাদের পলিসির ব্যাপার। কিন্তু, আমরা উনাদেরকে প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে, আপনারা ডেপুটি স্পিকার দেন। আজকে আবারও পরিষ্কারভাবে আমি বলতে চাই, প্রস্তাবটি এখনো ওপেন আছে। আমরা এখনো ওপেন রেখেছি। এই প্রস্তাবটি দেওয়ার মাধ্যমে আবারও আমরা আমাদের পরিষ্কার ইনটেনশন বোঝানোর চেষ্টা করেছি।

তিনি আরও বলেন, সেদিন বলেছিলেন যে আসুন, আমরা দুই দল মিলে যদি একসাথে একটি কমিটি গঠন করি, যেখানে জ্বালানির বিষয়ে যদি কোনো সমস্যা থেকে থাকে আমরা আলোচনা করে একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারবো। উনারা যেরকম উনাদের ইনটেনশন দেখিয়েছেন, আমরাও সেই সময় আমাদের ইনটেনশন পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছি। একইভাবে এই সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে আমি উনার বাসায় গিয়েছিলাম। উনার বাসায় গিয়ে দেশ পরিচালনা করার জন্য উনাদের সহযোগিতা আমি চেয়ে এসেছিলাম। একইভাবে আমি নাহিদ ইসলামেরও বাসায় গিয়েছিলাম। এনসিপির কাছে আমি বলেছিলাম, দেশ পরিচালনায় আপনাদেরও সহযোগিতা করুন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এবং বিরোধী দলীয় নেতা; আমরা উভয় বলছি- সমগ্র বাংলাদেশ এই সংসদ তাকিয়ে আছে। সমগ্র বাংলাদেশ এই সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে। তাকিয়ে আছে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য। তাকিয়ে আছে একটি সমৃদ্ধিশালী বাংলাদেশের জন্য। সে কারণেই কিন্তু আমরা মনে করি, এটি হয়ত বোঝার ভুল হতে পারে বা দেখার ভুল হতে পারে। হতেই পারে, মানুষ মাত্র ভুল হতেই পারে। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে, সরকারের পক্ষ থেকে আমি বলেছি, ভবিষ্যতেও বলব। আমরা চাই, সবাই একসঙ্গে কাজ করি।

তারেক রহমান আরও বলেন, কাজ করতে গেলে অতীতে যতবারই গণতন্ত্র চলতে শুরু করেছিল, বিভিন্ন সময় গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে। গণতন্ত্র যতবারই বাধাগ্রস্ত হয়েছে ততবারই দেশের অর্থনীতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। গণতন্ত্র যতবারই বাধাগ্রস্ত হয়েছে, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। গণতন্ত্র যতবারই বাধাগ্রস্ত হয়েছে, কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হয়েছে। গণতন্ত্র যতবারই বাধাগ্রস্ত হয়েছে, দেশের অর্থনীতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কাজেই এই মুহূর্তে আমরা সকলে যদি গিয়ে একটি সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞেস করেছি, তুমি কি চাও? আমি বিশ্বাস করি, একজন সাধারণ মানুষ বলবে আমরা শান্তি চাই। একজন সাধারণ মানুষ বলবে, আমরা নিরাপদ রাস্তা চাই। একজন সাধারণ মানুষ বলবে, আমি আমার লেখাপড়া শেষ করে একটি কর্মসংস্থান চাই। একজন গৃহিণী বা একজন নারী বলবে, আমি নিরাপদে রাস্তায় যেতে চাই।

বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, খুব সম্ভবত বাংলাদেশের মানুষ যত না রাজনৈতিক ডিবেট চায় যত না রাজনৈতিক বিভিন্ন বক্তব্য চায়, তার থেকে তাদের সমস্যার সমাধান চায়। আজকে এই মুহূর্তে আমার দলের সদস্যরা এবং ক্ষেত্রবিশেষে আমি দেখছি, বিরোধী দলের বন্ধুরাও আমার কিছু কিছু কথায় টেবিল থাবড়াচ্ছে। এই যে চেয়ারটা আপনি দেখছেন, যেই চেয়ারে আমি এখানে বসছি আপনার সামনে, এই চেয়ারটি খুব কঠিন একটি চেয়ার। এই চেয়ারটি দেখলে মনে হয়, বসতে খুব আরাম। আসলে মোটেও আরামের না। এই চেয়ারটিতে বসলে প্রতি মুহূর্তে মনে হয় যে আগুনের তপ্ত হিট আসছে। হাসার কিছু নেই। আমি যা ফিল করি, আমি আপনাদেরকে তাই বলছি। এই চেয়ারের থেকে উঠে দাঁড়িয়ে আপনার সামনে বক্তব্য আমি হয়ত অনেক পপুলার কথা বলতে পারতাম। যেটাতে আরও অনেক বেশি তালি হতো। কিন্তু এই চেয়ার আমাকে বলে যে আমি সবসময় পপুলার কথা বলতে পারি না। আমাকে সেটাই বলতে হবে। একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আমারও তো ইচ্ছা করে পপুলার কথা বলতে, যাতে জোরে জোরে তালি পাই। কিন্তু এই চেয়ার প্রতি মুহূর্তে আমাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ইউ হ্যাভ টু টেক দি রাইট ডিসিশন, নট দি পপুলার ডিসিশন।

তিনি বলেন, আজকে এই সংসদের এই সবুজ চেয়ারে যারা বসে আছেন, আমি মনে করি আজকে বোধহয় আমাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আসুন আমরা পপুলার ডিসিশনে আলাপ করবো না। আমরা আলাপ করব সঠিক ডিসিশনের ব্যাপারে। রাইট ডিসিশনের ব্যাপারে। আজকে এই সংসদ অধিবেশনের শেষ দিন। আজকে অধিবেশন শেষ হয়ে যাবে। আমার সংসদ নেতা হিসেবে আমার দলের সদস্যদের কাছে, বিরোধীদলীয় বন্ধুদের কাছে, সহকর্মীদের কাছে, সদস্যদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে যে, আসুন আগামী অধিবেশন যেটি শুরু হবে, সেখানে আমরা আলোচনা করব, আমরা কত দ্রুত দেশে বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করতে পারি। আমরা আলাপ করতে চাই. আগামী সংসদে দ্রুত আমরা কত বেশিসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান দেশেই হোক; বিদেশেই হোক তৈরি করতে পারি।

তারেক রহমান বলেন, এই সংসদে দাঁড়িয়ে আমি আলাপ করতে চাই যে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আমাদের হাসপাতালগুলোতে কত দ্রুত শিক্ষা এবং চিকিৎসা সুবিধা আমরা পৌঁছে দিতে পারি। আমি বিরোধীদলীয় সহকর্মীদের কাছে আহ্বান জানাতে চাই। আসুন, আমরা ডিবেট করবো, বিতর্ক করব। আমরা আলাপ, আলোচনা করব, বসবো, কথা বলব। কিন্তু কোনোভাবেই এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। অতীতে আমরা দেখেছি, ব্যর্থ করার জন্য ১৭৩ দিন হরতাল ডাকা হয়েছিল। সেই সরকার হয়তোবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সরকার হয়তো পরবর্তীতে ক্ষমতায় থাকেনি। ক্ষমতায় আসেনি। কেউ একজন সদস্য সেটি আমার দলের সদস্য হোক, সেটি বিরোধীদলীয় সদস্যরা হোক। বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন, যে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। এই ১৭৩ দিনের হরতালে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যেই ক্ষতির মাসুল আজও আমাদেরকে টেনে নিয়ে যেতে হচ্ছে। বছরের পর বছর যুগের পর যুগ।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই সংসদ মানে পুরো বাংলাদেশ, এই সংসদ মানে, এই সংসদের সফলতা মানে ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এটি সংসদের রীতি, সংসদের নীতি। একটি দল সরকারে থাকবে একটি দল বিরোধী দলে থাকবে। এই সেজন্যই আমি বারে বারে বলছি, এই সংসদের দ্বারা গঠিত সরকার। এই সরকারের টিকে থাকা এই সরকারের সফলতা মানেই কিন্তু সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়া। কারণ, আমি বিশ্বাস করি, এই সংসদ এমন একটি সংসদ, যা বাংলাদেশের অতীতে কোনোদিন হয়নি। বর্তমান সংসদ এবং ভবিষ্যতে হবে যেটি সেটি হলো উভয়পক্ষ। দেশের সঙ্গে আমরা একসাথে কাজ করব। আমরা উভয়পক্ষ আসুন কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইবো না। কারণ, আপনি এবং আমি আপনার এবং আমরা মিলেই কিন্তু পূর্ণ সংসদ। কাজেই আপনি ব্যর্থ হলে আমিও ব্যর্থ। আমি ব্যর্থ হলে আপনি ব্যর্থ। এই কথাটি আমাদেরকে মনে রাখতে হবে এবং আমরা যেকোনো একজন ব্যর্থ হলেই বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়ে যাবে। আমরা কেউই এই সংসদের কোনো একজন সদস্য, আমরা শয়নে স্বপনে কেউ ব্যর্থ বাংলাদেশ দেখতে চাই না।

তিনি আরও বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা সঠিকভাবেই বলেছেন যে, আজকের এই সংসদের দিকে সমগ্র বাংলাদেশ তাকিয়ে, এই সংসদের দিকে পৃথিবীর প্রতিটি কর্ণনারে যেখানেই একজন বাংলাদেশী আছে। সম্ভবত প্রত্যেকটি মানুষ এই সংসদের বর্তমান এবং এই সংসদের ভবিষ্যতে আছে- একটি দৃঢ় প্রত্যাশা আশা নিয়ে আছেন।

তারেক রহমান বলেন, মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতাকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, কৃষকদের এই সমস্যা থেকে বের করে আনার জন্যই আমরা আমাদের ম্যানিফেস্টোতে কৃষক কার্ড রেখেছিলাম। আবারও নির্দ্বিধায় বলতে হবে, বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে আমরা সরকার গঠন করার পরে দ্রুততার সাথে আমরা চেষ্টা করেছি, সেই কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। হয়ত অনেকেই বলতে পারে যে, কয়জনকে আপনারা দিয়েছেন কৃষক কার্ড? আমরা দেওয়া শুরু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে আমরা কৃষক বলতে যাদেরকে বোঝায় তাদের কাছে ধীরে ধীরে আমরা পৌঁছাবো।

তিনি আরও বলেন, খুব সঠিকভাবেই বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, এই দেশের শিক্ষা অঙ্গন বা ছাত্রদের কথা। আমরা অবশ্যই চাই না যে, আমাদের শিক্ষা অঙ্গনগুলোর যে অবস্থা, শিক্ষার্থীদের যে অবস্থা- সেটি এরকম থাকুক। সেটি অবশ্যই পরিবর্তিত হোক। বিরোধীদলীয় নেতার এক সন্তান ব্রিটেনে থাকেন। যেভাবেই হোক রাজনৈতিক কারণে বহু বছর আমাকেও ব্রিটেনে থাকতে হয়েছিল। আমি দেখেছি, সেই দেশের স্কুলগুলো কেমন। যখন স্কুলগুলো দেখতাম, সেই দেশের স্কুলের বাচ্চাদেরকে দেখতাম- এই বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছি বলেই খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে হতো আহা আমার দেশের স্কুলগুলা কেন এমন হতে পারে না?

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী জুলাই মাস থেকে পর্যায়ক্রমিকভাবে ধীরে ধীরে প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদেরকে স্কুল ব্যাগ দেব, পর্যায়ক্রমিকভাবে বাচ্চাদের আমরা ড্রেস স্কুল দেব এবং পর্যায়ক্রমিকভাবে মাননীয় স্পিকার আমরা বাচ্চাদেরকে জুতার ব্যবস্থাও ইনশাল্লাহ করবো।

তিনি বলেন, সার্বিক বিশ্ব পরিস্থিতিতে আমরা দেখেছি, মধ্যপ্রাচ্যে যে ক্রাইসিস যাচ্ছে যে যুদ্ধাবস্থা তার কারণে পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেকটি দেশ জ্বালানির সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। যার তাপ হয়ত বাংলাদেশে এসেও লেগেছে। বাংলাদেশের মানুষ বেশ কিছুদিন কষ্ট পেয়েছে এটিতে আমি বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে এ ব্যাপারে কমবেশি একমত। বিরোধীদলীয় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সেদিন একটি প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছিল যে, এই সমস্যাটি যদি আমরা উভয় একসাথে বসে মিটমাট যে, আলোচনা করি, তাহলে বসি, মিটমাট করা বা একটা শুরু বের করা সম্ভব হবে। আমাদের প্রস্তাবনা বিরোধীদের কাছে উপস্থাপন করেছি। আমরা যৌথভাবে একটি কমিটি গঠন করেছি, এ ব্যাপারে আলোচনা করে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় যাতে দেশের মানুষ স্বস্তিতে থাকতে পারে। আমি মনে করি, আমরা আজও এই সমস্যার সমাধান উভয়পক্ষ একসাথে বসে নিশ্চয়ই ইনশাল্লাহ বের করতে সক্ষম হব।

তিনি আরও বলেন, এই সংসদে আজকে দাঁড়িয়ে আমি আমার অবস্থান থেকে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই। অনুরোধ জানাবো, মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতাকে। আমি প্রথমেই বলেছি, এই সংসদ বাংলাদেশের মানুষের জন্য, এই সংসদ বাংলাদেশের জন্য। যে কথাটি বলছিলাম আমি বিরোধী দলীয় নেতা এবং উপনেতা স্বাভাবিকভাবে যেহেতু উনারা নেতা এবং উপনেতা স্বাভাবিকভাবে লিডার তো কিছুটা প্রায়রিটি পাবেই। উনাদের দুজনকে বলব দয়া করে আপনাদের বিষয়গুলো যদি আমার অফিসেও যদি একটা কপি পাঠিয়ে দেন আমি নিজেদের চেষ্টা করব ডাকার জন্য বিষয়গুলো।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম