শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ অপপ্রচার চালাচ্ছে

নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন জাকির চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৬৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন জাকির চৌধুরী

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করলেন যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরী। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার ব্রুকলীনের ১১৩৪ লিবার্টি এভিনিউস্থ এক্সিট রিয়েলটি কন্টিনেন্টাল’র কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জাকির এইচ চৌধুরী আরো বলেছেন, প্রতিপক্ষ একটি মীমাংসিত বিষয় নিয়ে গত একমাস যাবত কয়েকটি মিডিয়ায় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। কমিউনিটি মিডিয়া কর্মীদের মাধ্যামে প্রকৃত সত্য তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছি।

 

অধ্যাপক সৈয়দ আজাদের সঞ্চালনায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জাকির চৌধুরীর বিপক্ষে অপপ্রচারের নিন্দা জানিয়ে আরো বক্তব্য রাখেন সাউথ এশিয়ান রিয়েলটর এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মির্জা মোহাম্মদ হোসেন, রিয়েলটর সাইফুল হারুন ও তাসমিয়া আনজুম।

 

২০২০ সালের মার্চে শুরু হওয়া করোনাভাইরাস মহামারির সময় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহায়তার জন্য বরাদ্দ করা ত্রাণ তহবিল অপব্যবহার এবং আত্মসাতের ঘটনায় ৯ জন আসামি (আটজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং একজন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত) আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। ২০২৩ সালে নিউইয়র্ক স্টেটের রেসিলিয়েন্স গ্র্যান্ট এর অর্থ অপব্যবহার আত্মসাৎ করার মামলা দায়ের হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কুইন্স সুপ্রিম কোর্টে পৃথক সময়ে তারা নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এক যৌথ বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি মেলিন্ডা ক্যাটজ এবং লাকি ল্যাং। তারা জানান, মহামারির মতো জরুরি পরিস্থিাতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ আত্মসাৎ করা গুরুতর অপরাধ। সেই অভিযুক্তদের একজন জাকির এইচ চৌধুরী।

 

রাজনীতিবিদ ও রিয়েল এস্টেট বিজনেসম্যান জাকির চৌধুরী বলেন, কুইন্স কাউন্ট্রি ক্রিমিনাল কোর্ট আমাকে দুই লাখ পঞ্চাশ হাজার ডলার পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিল।পুরো অর্থ ইতোমধ্যে পরিশোধ করে দিয়েছি। আমি চাইলে ট্রায়ালে যেতে পারতাম। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অফিস, কর্মচারী—সবই ছিল এবং আছে। কোন অনিয়ম আমি করিনি। ট্রায়ালে তিন বছর সময় লেগে যাবে এবং বদনামের ভাগীদার হব বলে আমি কোর্টের নির্দেশমতো সেটেলমেন্ট অনুযায়ী অর্থ পরিশোধও করছি। সরকার ও আদালতের সম্মতি ও নির্দেশমতো এটি এখন সেটেলড (মীমাংসা) অর্থাৎ্ মীমাংসিত বিষয়।

 

জাকির চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন,, বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ার কারণেই আমি কিন্তু লাইসেন্সধারী মর্টগেজ ব্রোকার হিসেবে ৯ জন লাইসেন্সড রিয়েল এজেন্টকে সাথে নিয়ে ব্যবসা অব্যাহত রেখেছি। অথচ উক্ত মামলায় ৯ জন আসামির তথ্য থাকলেও শুধুমাত্র আমার ছবি দিয়েই ষংবাদ প্রকাশ ও অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

 

জাকির চৌধুরী আরো বলেন, আমাকে মূলত এ পরিস্থিতিতে ফেলেছে আমার সাবেক ব্যবসায়িক পার্টনার। করোনার সময় আমার অফিসের নাম ব্যবহার করে সেই সাবেক ব্যবসায়িক পার্টনার সরকারি অনুদান নেওয়ার ব্যবস্থা করে। অনুদান পাওয়ার পর অর্ধেক টাকা সে নিয়েও যায়। এখন আমাকে জরিমানা দিতে হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে করোনায় নিহত ২৩৬ জনের পরিবারকে আমি ৫শত ডলার করে অর্থ সহায়তা দিয়ে কমিউনিটির পাশে থেকেছি।

 

জাকির চৌধুরীর মানবিক কাজ ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে দক্ষতার কথা তুলে ধরেন কমিউনিটি এক্টিভিস্ট সৈয়দ আজাদ। জাকির চৌধুরীর কর্মময় জীবন নিয়ে কথা বলেন এক্সিট রিয়েলটি কন্টিনেন্টাল এর ডিরেক্টর অব সেলস মির্জা মোহাম্মদ হোসেন। তাঁর মতে, কিছু মানুষ জাকির এইচ চৌধুরীর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে এইসব মিথ্যা, মানহানিকর তথ্য প্রচার করছে।

 

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম