শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

স্ত্রী-সন্তানদের মুখে বার্সার গল্পে আনন্দ পাই: মেসি

খেলা ডেস্ক   |   মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ৬৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

স্ত্রী-সন্তানদের মুখে বার্সার গল্পে আনন্দ পাই: মেসি

ক্লাব ফুটবলের ছুটিতে হঠাৎ বার্সেলোনায় আসলেন লিওনেল মেসি। এরপর মনে হলো, সেই ক্যাম্প ন্যু’টা এখন কেমন আছে! কেমন সাজে সেজেছে! কেমন দেখায়! চুপি চুপি একটু দেখে নিলে কেমন হয়। রাত তখন গভীর। শহরে নিস্তব্ধতা। মাঠ কর্মীদের বললেন ইচ্ছের কথা। কোন প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়া মেসিকে ক্যাম্প ন্যুতে প্রবেশাধিকার দিলেন তারা। কারণ, এটা তো তারই ঘর।

ক্যাম্প ন্যু পরিদর্শনের পর মেসি ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করেন। এরপর দিয়েছেন এক সাক্ষাৎকারও। যাতে বলেছেন- বার্সা ছাড়তে হবে একথা কোনদিন ভাবেননি। বিদায় নিতেই হলো, কিন্তু প্রকৃতঅর্থে বিদায় যেমন হওয়া উচিত তার বেলায় সেটাও সম্ভব হয়নি। কারণ পুরো মৌসুম করোনার কারণে ফাঁকা গ্যালারিতে খেলেছেন তারা।

তবে বার্সা ছাড়ার পর জীবনটা ভিন্নভাবে উপভোগ করছেন তিনি। এখন তাকে প্রতিদিন ম্যাচ নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব কষতে হয় না। পরিবারকে সময় দিতে পারেন। আবার ফুটবল নিয়ে মেতে থাকতে হয় না বলে বার্সার ভক্তদের ভালোবাসাও অনুভব করার সময় পান।

মেসি বলেন, ‘বার্সা সম্পর্কে, সেখানকার মানুষ সম্পর্কে, আমার কাটানো সময়গুলো সম্পর্কে যা শুনি, নস্টালজিক করে দেয়। আবেগতাড়িত হই আমি। সময়গুলো খুব মিস করি। যখন এখানে খেলতাম, প্রতিদিন ব্যস্ততা থাকত। একটির পর একটি ম্যাচ নিয়ে ভাবতে হতো, মানুষের এই ভালোবাসাগুলো তখন অনুভব করার সময় থাকত না। আজ এত বছর পর আমার যখন তেমন ব্যস্ততা নেই, তখন বার্সার সেই দিনগুলোকে অনেক বেশি ভালো লাগে।’

পরিস্থিতি তাতে বার্সা ছাড়তে বাধ্য করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি, ‘বার্সায় আমার শেষ মৌসুমটা করোনা মহামারির কারণে শূন্য গ্যালারিতে খেলেছি। খেলোয়াড় হিসেবে আমি প্রকৃত বিদায়টা নিতে পারিনি। তখনকার পরিস্থিতি এবং সবকিছু মিলিয়েই আমাকে ছেড়ে চলে আসতে হয়েছিল। ওভাবে ছেড়ে আসতেও চাইনি। ভাবতাম ক্যারিয়ার জুড়ে বার্সাতেই খেলব।’

মেসি জানিয়েছেন, আবার তিনি বার্সায় ফিরতে চান। কাতালুনিয়ায় তাদের বাড়ি আছে। ক্যাম্প ন্যুর সংস্কার শেষ হলে ওই বাড়িতে যাবেন তারা, ‘আমি সত্যিই বার্সাতে ফিরতে চাই। বাড়িতে আমার স্ত্রী ও সন্তানরা সারাক্ষণ বার্সা নিয়ে গল্প করে। কোথায়, কীভাবে থাকত, কোথায় যেত– এসব গল্পে আনন্দ পাই। ক্যাম্প ন্যুর সংস্কার শেষ হলে পুরনো বাড়িতে যাব। প্যারিসে আসার পর আর সেখানে যাওয়া হয়নি।’

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম