নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২৪ | প্রিন্ট | ২৯২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
অন্য এক ধরনে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে। নিউইয়র্ক ও ক্যালিফোরনিয়ায় তা ব্যাপক আকার ধারন করেছে। সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল( সিডিসি) নিউইয়র্ক সিটির প্রত্যেক বাসিন্দাকে মাস্ক পড়ার পরামর্শ দিয়েছে। গত ১৫ দিনে নতুন করোনা জেএন.১ও এইচভি ১ সিটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি মধ্যে ব্যপাকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশিদের ঘরে ঘরে এই রোগ হানা দিয়েছে। ঘরে ও বিছানায় ফেলে দিয়েছে অধিকাংশ মানুষকে। ডাক্তার অফিস ও হাসপাতালের ইমারজেন্সীতে রোগীদের ভীর বাড়ছে। কয়েকজন বাংলাদেশি ডাক্তার অফিসে কল করলে আজকালকে তারা বলেন, গত ১০ দিন ধরে রোগীদের কল প্রাপ্তির সংখ্যা ৩ গুন বেড়ে গেছে। যারা এপোয়েন্টমেন্টের জন্য কল করেন তাদের অধিকাংশই শর্দি, কাশি, কফিংসহ বুকে ব্যথা ও জ্বরের কথা বলছেন। আমরা দ্রুত কোভিড টেস্ট করার পরমর্শ দিচ্ছি। উৎসাহিত করছি কোভিড টেস্ট না করে ডাক্তার এপোয়েন্ট না নিতে। ডাক্তার অফিসগুলোতে কোভিড রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেলে তা ব্যাপকভাবে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যারা কোভিড টেস্ট পজিটিভের কথা জানাচ্ছেন তাদের ফোনেই চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে ডাকাতার অফিসে না আসার জন্য। পাশাপাশি মানুষের ভীর বা জনসমাগম এড়িয়ে চলার জন্য রোগীদের আহবান জানানো হচ্ছে।
বাংলাদেশি ডাক্তার বাবলু বসাক আজকালকে বলেন, শতকরা ৭০ ভাগ রোগেী এপোয়েন্টমেন্ট চাচ্ছেন। আমরা কোভিড টেস্ট করে ডাক্তার অফিসে আসার পরমর্শ দিচ্ছি। তিনি বলেন, এই কোভিড ভ্যারিয়েন্টে নতুন উপসর্গ দেখা যাচ্ছে । তা হলো ঘুমের সমস্যা ও উদ্বিগ্নতা। তবে এই কোভিডে ক্যাজুয়ালিটি নেই বললেই চলে। তবে রোগীকে ভুগতে হয় বেশ কয়েকদিন।
নিউইয়র্ক সিটি হেলথ ডিপার্টমেন্ট গত বুধবার ৩ জানুয়ারি সকল হাসপাতাল ও হেলথ অফিসহুলোকে নির্দেশনা পাঠিয়েছে। এতে হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি কোভিড সংক্রমন ও ফ্লু বেড়ে যাওয়ায় ডিপার্টমেন্ট এ নির্দেশনা দেয়।