নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ২৫ মে ২০২৫ | প্রিন্ট | ১৪৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের সর্মথক (একাংশ) কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা ও একটিভিস্টদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা’। এই মেলার আহবায়ক ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক ড. নুরুন্নবী। এর আগে তিনি ছিলেন মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান। প্রতিবছর এই ফাউন্ডেশনের নামেই ‘নিউইয়র্ক বইমেলা’ অনুষ্ঠিত হতো। এবার মুক্তধারার সদস্য সচিব বিশ্বজিৎ সাহাকে ইউনূস সরকারের সর্মথক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী আখ্যায়িত করে ড. নুরুন্নবী পদত্যাগ করেন। একই সাথে তিনি বিশ্বজিৎ সাহার নেতৃত্বাধীন বইমেলার কর্মকতার্ ডা. জিয়া উদ্দীন আহমেদ, হাসান ফেরদৌস ও রোকেয়া হায়দারকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সহযোগী হিসেবে অভিহিত করেন। আয়োজন করেন ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা’। মূলত যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সর্মথকদের (একাংশ) উপস্থিতিতে গত ২৪—২৫ এই মেলা উডহ্যাভেনের জয়া হলে অনুষ্ঠিত হয়। বুকস্টলের সংখ্যা ও সাধারন মানুষের উপস্থিতির ঘাটতি থাকলেও আয়োজকরা স্বল্প সময়ের প্রস্তুতিতে এটিকে সফল মেলা দাবী করেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে অভিবাদন জ্ঞাপনের পর সমস্বরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্যদিয়ে ২৪ মে দুপুরে নিউইয়র্কে দুদিনের ‘বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা’ শুরু হয় । কুইন্সের জয়া পার্টি হলে এই বইমেলার উদ্বোধন করেন কবি—লেখক বেলাল বেগ। একাত্তরের প্রহরি নামক সংগনের ব্যানারে আয়োজিত এই বইমেলায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বির্তকিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। কার্যত তসলিমা নাসরিন ছিলেন মেলার প্রধান আর্কষন। তাকে ঘিরে ফটোসেশন চলে দীর্ঘসময়।
![]()
![]()
মেলায় প্রবর্তিত এবারের সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন কলামিস্ট সেজান মাহমুদ। নগদ এক হাজার ডলারসহ বিশেষ সম্মাননা ক্রেস্ট করতালির মধ্যে হস্তান্তর করেন মেলা কমিটির আহবায়ক ড. নুরুন্নবী এবং ড. জিনাত নবী। এর আগে এই সাহিত্য পুরস্কারের প্রেক্ষাপট ও সেজান মাহমুদের বর্ণাঢ্য সাহিত্য—কর্মজীবন উপস্থাপন করেন প্রবাসের আরেক জনপ্রিয় কবি—কলামিস্ট—সংগঠক ফকির ইলিয়াস। এওয়ার্ড হস্তান্তরের সময় পাশে ছিলেন বইমেলার সদস্য—সচিব স্বীকৃতি বড়ুয়া এবং আবৃত্তিশিল্পী গোপান সাহা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তাজুল ইমাম।
![]()
মেলায় বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল কাদের মিয়া, ইঞ্জিনিয়ার মো. ফজলুল হক, মানবাধিকার সংগঠক—লেখক—অধ্যাপক ড. পার্থ ব্যানার্জি, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার ড. দিলীপ নাথ, কম্যুনিটি লিডার রানা হাসান মাহমুদ, অধ্যাপক এ বি এম নাসের, সাংবাদিক দস্তগীর জাহাঙ্গির, সাংস্কৃতিক সংগঠক লুৎফুন্নাহার লতা, মিথুন আহমেদ, আওয়ামী লীগ নেতা জাকারিয়া চৌধুরী প্রমুখ। সঞ্চালনায় ছিলেন মিনহাজ আহমেদ সাম্মু।
![]()
গোপান সাহা, সাবিনা শারমিন এবং তাহরিনা পারভিন প্রীতির সাবলিল উপস্থাপনায় উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন আল আমিন বাবু এবং জাতীয় সঙ্গীতে নেতৃত্ব দেন নিলোফার জাহান।