নিউইয়র্কেও আইন প্রণেতারা বাংলাদেশের ওপর স্যাশন আরোপের আহবান জানালেন। নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলে একমাত্র বাংলাদেশি বংশোদভূত কাউন্সিল সদস্য শাহনা হানিফ সহ নিউইয়র্কের ২১ আইন প্রণেতা বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বাংলাদেশে মানবতা বিবর্জিত হত্যাযজ্ঞ বন্ধ ও মানবাধিকার রক্ষায় কংগ্রেসকে উদ্যোগ নেবার আহবান জানিয়েছেন। মার্কিন সিনেটের মেজোরিটি লিডার চাক শু্যমার ও কংগ্রেসের প্রবীন প্রভাবশালী সদস্য গ্রেগরী মিক্স বরাবর তারা চিঠি প্রদান করেছেন গত ৩০ জুলাই মঙ্গলবার। এতে স্বাক্ষর করেছেন নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল মেম্বার,নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর, স্টেট এসেমব্লি ও ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতৃবৃন্দ। তারা হলেন কাউন্সিলওম্যান শাহানা হানিফ,ডেমোক্র্যাটিক ডিস্ট্রিক্ট লিডার মোফাজ্জল হোসেন,স্টেট কমিটি মেম্বার জামি কাজি,ডেমোক্র্যাটিক লিডার ইমরান রহমান,স্টেট এসেমব্লি মেম্বার জোহরান মাদানী,স্টেট সিনেটর জুলিয়া সালাজার,স্টেট সিনেটর ক্রিস্টিন গোনজালেজ,এসেমব্লি মেম্বার খলিল এন্ডারসন,সিটি কাউন্সিল মেম্বার ক্রিস্টোফার ব্যাংক,কাউন্সিল মেম্বার নাতাশা উইলিয়াম,কাউন্সিল মেম্বার টিফানী কাবান,কাউন্সিল মেম্বার এলেক্সা এভিলস,কাউন্সিল মেম্বার আলথিয়া স্টিভেন্স, কাউন্সিল মেম্বার লিংকন রেস্টলার, কাউন্সিল মেম্বার চি অসি, কাউন্সিল মেম্বার গ্যালে ব্রিউয়ার ও কাউন্সিল মেম্বার স্যান্ডি নার্স, কাউন্সিল মেম্বার ক্রিস্টোফার মেরি, কাউন্সিল মেম্বার জেনিফার গুতেরাস, কাউন্সিল মেম্বার রিতা জোসেফ, ডেমোক্র্যাটিক লিডার জর্জ কনস্ট্যানটিনু ও প্যাট্রিক মার্টিনেজ।
কংগ্রেসে লেখা চিঠিতে বলা হয়, মৃত ব্যক্তির জানায় অংশগ্রহনকারি ছাত্রদের ওপরও বাংলাদেশ সরকারের আইন শৃংখলা বাহিনী নির্যাতন চালিয়েছে। আমাদের জানামতে ২০০ এর উপর সাধারন শিক্ষার্থীদের হত্যা করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থরা আইনের আশ্রয় নেবার সুযোগ পাচ্ছে না। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। কয়েক হাজার আন্দোলনকারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।আমরা এসব ঘটনার সাথে জড়িত বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ঠ সদস্য, আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহবান জানাচ্ছি।
কংগ্রেসের কাছে ৩ দফা প্রস্তাব পেশ করেন এই আইন প্রণেতারা। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে হত্যাযজ্ঞের সাথে জড়িতদের ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও তাদের সম্পদ ফ্রিজ করা হোক।মানবাধিকার রক্ষা ও ডেমোক্র্যাটিক শাসন ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ দেয়া হোক। আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্থদের ন্যার্য বিচারপ্রাপ্তি ও মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক বন্ধুদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে।